বাঘা প্রতিনিধি: সঠিক সময়ে বেতন বিল দাখিল না করায় এবার এক মাসের বেতনসহ-ঈদ বোনাস পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাঘা উপজেলা স্বাস’্য কেন্দ্রের ৭টি দপ্তরের ৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির। এ ঘটনায় অবসর নেয়া হিসাবরৰকসহ স্বাস’্য বিভাগের (টিএইচএ) ডা. সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৰোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাঘা স্বাস’্যকেন্দ্রের মেডিকেল এসিস্টেন, নার্স, ফার্মাসিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, আয়া, পিয়ন ও হেল্‌থ এসিস্টেন-সহ ৭টি পদে ৬২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি রয়েছেন। তারা ঈদকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত তাদের প্রাপ্য গত মাসের বেতন এবং সরকার প্রদত্ত ঈদবোনাস তুলতে পারেন নি। এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, হিসাবরৰক সঠিক সময়ে তাদের বেতন বিল সংশিৱষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেনি।
বাঘা স্বাস’্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট আব্দুল মজিদসহ অনেকেই জানান, এক বছর পূর্বে এই স্বাস’্য কেন্দ্র থেকে অবসর নেন হিসাবরৰক মজিবুর রহমান। ওই দিন রাতে তার বিদায় উপলৰে হাসপাতাল চত্বরে আলোকসজ্জা এবং কনসাটসহ ভুড়িভোজের আয়োজন করেন বর্তমান টিএইসএ ডা. সিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে পাবনা থেকে একজন হিসাবরৰক এখানে যোগদান করলেও ডা. সিরাজুল ইসলামের সাথে বনিবনা না হওয়ায় তিনি এখান থেকে বদলি হয়ে চলে যান। এর পর থেকে কাগজে কলমে ডলি আক্তার নামে একজনকে অস’ায়ীভাবে এই পদে নিয়োগ দেয়া হলেও বাস্তব অর্থে এখন পর্যন্ত সকল কাজকর্ম করে চলেছেন অবসর নেয়া হিসাবরৰক মজিবুর রহমান।
এ বিষয়ে টিএইচএ ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি কোন দুর্নীতি করি না। স’ানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতাদের মন জয় করতে না পারার কারনে তারা আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। তবে দৰ হিসাবরৰক না থাকায় তিনি মজিবুর রহমানকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেন বলে জানান। তিনি বেতন এবং ঈদবোনাস না হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিষয়ে বলেন, গত মাসে কাজের চাপ বেশি থাকায় বিল প্রেরণ করতে বিলম্ব হয়। পরবর্তীতে সার্ভারে সমস্যা হওয়ায় এ বিল আটকে যায়। তিনি ঈদের আগে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে জানান।