স্টাফ রিপোর্টার: শোকের মাস আগষ্টের তৃতীয় দিন আজ। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরম্ন হয়েছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপী কর্মসূচি।
নানান কর্মসূচিতে সারাদেশের দেশের ন্যায় রাজশাহীতেও পালিত হচ্ছে শোকের মাস আগস্ট। আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্‌্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এসব কর্মসূচি পালন করছে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। তখনও ভোর হয়নি। আকাশে হালকা একটা আলো। ধানম-ি ৩২ নম্বর রোডের ৬৭৭ নম্বরবাড়িতে সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তখন বাড়িতে গার্ড পরিবর্তনের সময়। বাড়িতে ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর স্ত্রী বেগম মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধুরা এবং ভাই শেখ নাসের। ডিউটিতে আছেন বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী এ এফ এম মহিতুল ইসলাম, রাত ১টার দিকে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। জাতির পিতা তখনও জানতেন না এটাই তাঁর পরিবারের সাথে তাঁর শেষ দেখা। শেষ রাত। সে রাতেই ঘাতকরা বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে নির্মম ভাবে হত্যা করে।
বাঙালির কাছে কি বঙ্গবন্ধুর এই পাওনা ছিল? যে বঙ্গবন্ধু না থাকলে স্বাধীনতা শুধু সোনার হরিণ হয়ে থাকত বাঙালির কাছে। সেই বঙ্গবন্ধুর জীবন দিতে হলো বাঙালির হাতেই। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফাঁসি হয়েছে আমরা সবাই জানি। একবার কেন, ঐ খুনীদের লড়্গবার ফাঁসি হলেও বঙ্গবন্ধুর শূন্যতা পূরণ হবার নয়।