রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাংবাদিকতা বিভাগের শিৰার্থীরা আন্দোলনে নেমেছেন পরীৰার ফল প্রকাশের দাবিতে। গত বছরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন বর্ষের পরীৰার ফল আট মাস পরও হাতে না পেয়ে ক্লাস পরীৰা বর্জন করে অবস’ান কর্মসূচি পালনের খবর গতকালের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
গত বছরের শেষের দিকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ বর্ষের বেশির ভাগ পরীৰা শেষ হলেও এখন পর্যন্ত ফল পায়নি শিৰার্থীরা। গত ১৭ জুলাই শুধুমাত্র প্রথম বর্ষের (বর্তমানে দ্বিতীয় বর্ষ) ফল প্রকাশ করা হলেও অন্যান্য বর্ষের ফল এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ অনুযায়ী পরীৰা প্রকাশের ৬০ দিনের মধ্যে বিভাগগুলোর ফল প্রকাশের কথা। কিন’ প্রশাসনের নির্দেশনার পরও খাতা মূল্যায়ন শেষ না হওয়ায় ফল প্রকাশ আটকে আছে বলে জানা গেছে। কিছু শিৰকের অবহেলার কারণে এমন অবস’া সৃষ্টি হওয়ায় বাধ্য হয়েই শিৰার্থীরা পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে খবরে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উচ্চ শিৰা প্রতিষ্ঠানে এমন অবস’া সৃষ্টি দুঃখজনক। দেশে বিভিন্ন শিৰা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি-অব্যবস’া-বিশৃঙ্খলার শেষ নেই। নীতি-নৈতিকতার অধঃপতন, দেখভালের দুর্বলতা, চাহিদামত জনবল ও অবকাঠামোর অভাব, এমন অনেক কারণ রয়েছে এর পেছনে। কিন’ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস’া তুলনামূলক ভালো বলেই মানুষের ধারণা। সেখানে সুযোগ-সুবিধার অভাব নেই। তারপরও সময়মত পরীৰার খাতা মূল্যায়ন শেষ করতে না পারা অবহেলা, উদাসীনতা ছাড়া আর কি হতে পারে?
এমন অবস’ার অবসানে বিভাগীয় কর্তৃপৰ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সময়মত ব্যবস’া নিলে শিৰার্থীদের শ্রেণিকৰ ছেড়ে অবস’ান কর্মসূচি পালন করতে হতো না। পরীৰার ফল প্রকাশের জন্য শিৰার্থীদের আন্দোলন কোন অবস’াতেই ভালো নজির বলা যাবে না। শিৰার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাবি কর্তৃপৰের যথাশীঘ্র ফল প্রকাশে উদ্যোগী হওয়ার কথা জানা গেছে। অবিলম্বে এ সমস্যার সমাধানই আমাদের কাম্য।