দেশজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়নের পদৰেপ চোখে পড়ার মতো। এর মধ্যে রয়েছে শিৰা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন। দেশব্যাপী স্কুল-মাদ্রাসা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তিন হাজার স্কুল-মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়নে টেন্ডারের কাজ শুর্ব হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী জোনে ৯০টি স্কুল ও ৫২টি মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজ শুর্বর আগেই আরও ৯০টি স্কুলের উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা এসে গেছে। ৯০০ কোটি টাকার এসব প্রকল্পের কাজ শুর্ব হতে পারছে না সংশিৱষ্ট দপ্তরের জনবল সংকটের কারণে।
শিৰা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহী জোনের আওতায় রাজশাহী ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার থানা ও উপজেলার এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ অন্তর্ভুক্ত। এই জোনে পদসংখ্যা ২১টি হলেও কর্মরত আছেন মাত্র ১২ জন। অতীতের চেয়ে ১০গুণ কাজের পরিধি বাড়লেও জনবল বাড়েনি, বরং কমে গেছে। ফলে উন্নয়ন কাজ থমকে দাঁড়িয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
একের পর এক উন্নয়ন কাজ আসছে অথচ জনবল সংকটের কারণে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুর্ব করাই যাচ্ছে না। যেগুলোর টেন্ডার হয়েছে সেগুলোর নির্মাণ কাজ শুর্ব হচেছ না জনবল সংকটের কারণে। দুইজন সহকারী প্রকৌশলী ও তিনজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদ ফাঁকা রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। দুই কম্পিউটার অপারেটরের স’লে একজন আর দুইজন হিসাব সহকারীর পদও শূন্য বহুদিন ধরে। ফলে কর্মরত কেউ কেউ অবসর গ্রহণের পরও দায়িত্ব ছাড়তে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
এমন অবস’া দীর্ঘস’ায়ী হলে শিৰা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজের গতি মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য। দেশে উন্নয়নের যে জোয়ার বইছে জনবল সংকটের কারণে তা বাধাগ্রস্ত হবে এটা বিশ্বাস করা কঠিন বৈকি! অবিলম্বে জনবল সংকট দূর করে উন্নয়নের ধারা বেগবান রাখাই সবার কাম্য।