স্টাফ রিপোর্টার: পবা উপজেলার কর্নহার থানাধীন তেতুলিয়া গ্রামের নির্মান শ্রমিক সেলিমকে অপহরনের ৬ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে কর্ণহার থানা পুলিশ। অপহরণে সংশ্লিষ্টতায় একজনকে আটক করা হয়। এব্যাপারে কর্ণহার থানায় মামলা করা হয়েছে। মুক্তিপনের দাবিতে অপহৃত নির্মান শ্রমিক সেলিম রেজা রাজুকে আহত অবস্থায় পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অপহৃত নির্মান শ্রমিক সেলিম রেজা রাজুর স্ত্রী রেশমা জানান, রাজু ও রাজমিস্ত্রি বাবু বাড়ি থেকে অটো রিকশাযোগে শহরে যাচ্ছিল। কর্ণহার থানা এলাকার ডাঙ্গের হাটের ব্রিজের কাছে আসামাত্রই কয়েকজন মটরসাইকেলে এসে রাজুকে অপহরণ করে। এতে মিস্ত্রি বাবুও কিছুটা আহত হয়। ঘটনাটি বাবু রাজুর বাড়িতে জানালে তারা কর্ণহার থানায় জানায়। এরপরেই রাজুর ফোন থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপনের দাবিতে বাড়িতে ফোন আসে। পাশাপাশি তারা বিকাশ নম্বর দেয়। এছাড়াও তারা অপহরণকারিদের একজনের বাবা মুল্লাডাইং গ্রামের আলহাজ্ব নওশাদ আলীকে টাকা দিতে বলে। এ খবর থানায় জানালে, ওসি মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে লোকেসান ট্রাই করে রাজুকে উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে কর্ণহার থানার অফিসার ইনচার্য সেলিম বাদশা জানান, অপহরণের খবর পেয়ে আমি নিজেই অভিযানে অংশ নিই। মোবাইল ফোনের সুত্র ধরেই জানতে পারি অপহরণকারিরা খুব নিকটেই আছে। বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অপহৃত সেলিম রেজা রাজুকে কাদিপুর গ্রামের আতাউরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। এরইমধ্যে মুক্তিপনের দাবিতে রেজাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে অপহরণকারিরা। তবে তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু অপহরণের সংশ্লিষ্টতার দায়ে অপহরণকারিদের একজনের বাবাকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যহত রয়েছে। আসামী আটকের স্বার্থে জড়িতদের নাম প্রকাশে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।