স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী নগরীর পদ্মার চরের চরশ্যামপুর ও চরখিদিরপুর বালুমহাল ইজারা নিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু। কিন্তু তিনি ইজারাবহির্ভূত এলাকা থেকে বালু তুলে কাজলা মৌজার রাসত্মা দিয়ে পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
হাইকোর্টের আদেশে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন তার এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে। একইসঙ্গে বালু পরিবহনে কাজলা মৌজার রাসত্মা ব্যবহারেও জারি করেছে নিষেধাজ্ঞা। তাই আওয়ামী লীগের এই নেতা এবার কাটাখালি পৌরসভার শ্যামপুর এলাকার একটি রাসত্মা দিয়ে বালু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
গতকাল সোমবার তার লোকজন পদ্মা নদী থেকে বালু তুলে শ্যামপুরের রাসত্মা দিয়ে পরিবহন শুরম্ন করেন। আগে ইজারাবহির্ভূত এলাকা থেকে বালু তুললেও এ দিন অবশ্য চরশ্যামপুর মৌজা থেকে বালু তোলা হচ্ছিল। তবে রাসত্মা ভেঙে যাবে বলে এলাকাবাসী তা রম্নখে দিয়েছেন। বাঁধার মুখে ফিরে এসেছেন চরশ্যামপুর ও চরখিদিরপুর বালুমহালের ইজারাদার মেসার্স আমিন ট্রেডার্সের লোকজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী বলেন, শ্যামপুর এলাকার রাসত্মাটির সংস্কার কাজ চলছে। গত এপ্রিলে স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেছেন। বৃষ্টির জন্য রাসত্মার কার্পেটিংয়ের কাজ আটকে আছে। এরই মধ্যে গতকাল এই রাসত্মার ওপর দিয়ে বালু পরিবহন শুরম্ন হলে এলাকাবাসী তাতে বাঁধা দেন। স্থানীয়রা বিষয়টি সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনকেও জানান। পরে এলাকায় বিশৃঙ্খলা রোধে পুলিশকে নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন। এরপর কাটাখালি থানা পুলিশ গিয়ে বালু উত্তোলনকারীদের ফিরিয়ে দেয়।
মেয়র জানান, শ্যামপুরের এই রাসত্মাটি সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ টন পর্যনত্ম ওজনের ট্রাকের ধারণড়্গমতা রয়েছে। কিন্তু বালুবাহী ড্রামট্রাকগুলোর ওজন ২০ থেকে ২৫ টন পর্যনত্ম হয়ে থাকে। এই ওজনের ট্রাক চলাচল করলে সংস্কারের পর রাসত্মা এক মাসও টিকবে না। তাই তারা শ্যামপুরের রাসত্মা ব্যবহার করে বালু পরিবহনের সুযোগ দেবেন না। জনস্বার্থে সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনও এই সিদ্ধানেত্মর পড়্গে আছেন।