সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: টানা ১৩ দিন বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুর পয়েন্টে অবশেষে নিচে নেমেছে। এতে উন্নতির দিকে যাচ্ছে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি। তবে দীর্ঘ সময় পানিবন্দি থাকা বানভাসিদের দুর্ভোগ রয়েই গেছে।
রোববার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনার পানি রেকর্ড করা হয় ১৩.২৮ মিটার (ডেঞ্জার লেভেল-১৩.৩৫ মিটার)। যা বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে কাজিপুর পয়েন্টে ১৫.২৪ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি জুলাই মাসের শুরম্ন থেকেই যমুনার পানি তীব্র গতিতে বাড়তে থাকে। ১৪ জুলাই বিপদসীমা অতিক্রম করে। ১৮ জুলাই সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার সর্বোচ্চ ৯৯ সেন্টিমিটার ও কাজিপুরে ১২৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে ক্রমেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়। পানিবন্দি হয়ে পড়ে ৩ লড়্গাধিক মানুষ। ড়্গতিগ্রসত্ম হয় ফসলি জমি, রাসত্মাঘাট ও বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ১৯ জুলাই থেকে পানি কমতে থাকে এবং ২৩ জুলাই বিপদসীমার নিচে নেমে যায়। ২৪ জুলাই থেকে আবারও পানি বাড়তে থাকে এবং ২৫ জুলাই বিপদসীমা অতিক্রম করে। একদিন স্থিতিশীল থাকার পর ২৭ জুলাই থেকে কমে ২৮ জুলাই (রোববার) বিপদসীমার নিচে চলে যায় যমুনানদীর পানি।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে কাজিপুর পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি বলেন, আগামি দু-চারদিনে আর পানি বৃদ্ধির আশঙকা নেই বলে আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র থেকে জানা গেছে।