স্টাফ রিপোর্টার: তীব্র জনবল সংকটে শিড়্গা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহী জোন কার্যালয়। এর ফলে বাধাগ্রসত্ম হচ্ছে নগরীর শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কাজ। সেখানে দুই জন সহকারী প্রকৌশলী ও তিন জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে। দুই জন কম্পিউটার অপারেটরের স্থলে কর্মরত আছেন মাত্র এক জন অপারেটর। এর সাথে দুই জন অ্যাকাউন্ট অ্যাসিসটেন্টের পদও শূন্য বহুদিন ধরে। তাই একজন দুঃখ করে বললেন, এটাকে অফিস চলা বলে না, কোনভাবে চালানো হচ্ছে। তাই উৎকণ্ঠায় শিড়্গা উন্নয়ন অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।
ইতোমধ্যে রাজশাহী শিড়্গা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হজ্বব্রত পালনের জন্য ছুটিতে গেছেন। সেখানে বগুড়া থেকে এক জন প্রকৌশলী এসে কাজ সারছেন কোনভাবে। যেখানে উক্ত প্রতিষ্ঠানটির হাতে নগরীর শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোর কোটি কোটি টাকার কাজ চলছে। সেখানে একই ব্যক্তির দুই স্থানে কাজ করা কত কঠিন সহজেই অনুমেয়। এর ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। ইতোমধ্যে কাজের ড়্গেত্রে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী ছুটিতে থাকায় বগুড়া থেকে কাজ করতে গিয়ে দো-টানার মধ্যে কাজ সারতে হচ্ছে বগুড়া থেকে আগত শিড়্গা প্রকৌশলীকে।
বগুড়া থেকে এসে একজন প্রকৌশলী দায়িত্ব পালন করছেন কোনভাবে। যেহেতু বগুড়ায় তার দায়িত্ব তাই তিনি কোনভাবে দায় সারছেন।
রাজশাহী জোন শিড়্গা প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী নিয়াজ আহম্মদ সিদ্দিকী ও আনসার আলী ইতোমধ্যে অবসরে গেছেন। এর ফলে শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোর টেন্ডার কাজ শুরম্ন হলেও কোন কর্মকর্তা না থাকায় নেমে এসেছে স্থবিরতা। এরফলে নগরীর শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন চরম অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
রাজশাহীর উন্নয়ন প্রকল্পভুক্ত শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোর টেন্ডার ও তত্ত্বাবধান করার দায়িত্ব এই প্রতিষ্ঠানটির। আর সকল প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার দায়দায়িত্ব বহন করে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
ইতোমধ্যে রাজশাহীর শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ৭০০ কোটি টাকার কাজ শুরম্ন হলেও অনেক শিড়্গা প্রতিষ্ঠানের টেন্ডারই হচ্ছে না। নগরীর ৫২টি মাদ্রাসার মধ্যে ৩৫টির টেন্ডার হয়ে গেলেও কাজ শুরম্ন হচ্ছে না দীর্ঘদিন। আর ১৭টি মাদ্রাসার এখন পর্যনত্ম টেন্ডারই হচ্ছে না জনবলের কারণে। টেন্ডারের তালিকার ৩ হাজার শিড়্গা প্রতিষ্ঠান থাকলেও ৮টি স্কুল এখন টেন্ডার থেকে বাদ আছে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এ কয়জনকে কর্মকর্তাকে।
এ ব্যপারে উক্ত কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী নিয়াজ আহমেদ সিদ্দিকীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এর সত্যতা স্বীকারে বলেন, জনবলের অভাবে এ প্রতিষ্ঠানটির কাজ এগুচ্ছে না।