এফএনএস আর্ন্তজাতিক: লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে ১১৫ শরণার্থীর মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। নৌযানটি উপকূল থেকে আট কিলোমিটার দূরে ডুবে যায়। খবর বিবিসির।
দেশটির নৌকর্মকর্তা জেন আয়ুব কাশেম বলেন, নৌকাটিতে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ যাত্রী আফ্রিকা ও আরব দেশের নাগরিক। এখন পর্যন্ত একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কাশেম জানান, রাজধানী ত্রিপোলির ১২০ কিলোমিটার পূর্বের শহর আল খোমস থেকে নৌকাটি ছেড়ে এসেছিল।
স’ানীয় জেলেরা আরো ১৫০ জন শরণার্থীকে উদ্ধার করেছে এবং উপকূলরক্ষীরা তাদেরকে লিবিয়ায় ফিরিয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস’া (ইউএনএইচসিআর)।
তবে লিবিয়ার নৌবাহিনীর মুখপাত্র গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১১৬ জন নিখোঁজ হয়েছে। আর উদ্ধার পেয়েছে ১৩২ জন। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, কাঠের নৌকাটিতে ২ শতাধিক শরণার্থী ছিল।
সংস’াটির প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি টুইটারে লিখেছেন, এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত হলে এ বছর এটিই হবে ভূমধ্যসাগরে শরণার্থী নৌকাডুবিতে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা।
এ বছরের প্রথম চারমাসে ভূমধ্যসাগরের একই র্বটে প্রায় ১৬৪ জন শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। গত মে মাসে তিউনিসিয়া উপকূলে শরণার্থী নৌকা উল্টে অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়।
লিবিয়া থেকে শরণার্থীরা ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতি বছরই এমন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যাচ্ছে।