এফএনএস: ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় বাজার ক্রেতা-বিক্রেতা শূন্য থাকলেও সমুদ্রে মাছ ধরা শুর্বর পর প্রতিদিন ভিড় করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা। চট্টগ্রামের কাট্টলী রাণী রাসমনি ঘাটে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সমপ্রতি সমুদ্রে মাছ ধরা শুর্ব করেছেন জেলেরা। শুর্বতেই জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ। আর তাতেই হাসি ফিরেছে জেলেদের মুখে।
পাশাপাশি চাহিদা মতো মাছ কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারাও। জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পর্যাপ্ত মাছ ধরতে পেরে খুশি তারা। খাঁচা ভর্তি মাছ নিদার্বণ কষ্টে পার করা ৬৫ দিন মুহুর্তে ভুলিয়ে দিচ্ছে তাদের। ছেলে লিটন দাসসহ ৫ জন মাঝি-মালৱা নিয়ে মাছ ধরতে যান জেলে দিলীপ দাস। নিষেধাজ্ঞার সময় বেকার সময় কাটিয়েছেন বাবা-ছেলে। তিনি বলেন, ৬৫ দিন মানবেতর জীবন-যাপন করেছি। তবে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় এখন মাছ ধরতে পারছি। জালে পর্যাপ্ত মাছও পড়ছে। নিষেধাজ্ঞার সময় মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে সংসার চালিয়েছি। ঋণের বোঝা কতদিন বইতে হবে জানি না।
স’ানীয় জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন শতশত জেলে এ ঘাট দিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়। আহৃত মাছগুলো সাগর পাড়েই বেচাকেনা হয়। উত্তর চট্টলা উপকূলীয় মৎসজীবী জলদাস সমবায় কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি লিটন দাস বলেন, নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জেলেরা সাগরে যাওয়া শুর্ব করেছেন। তবে ৬৫ দিনের কষ্ট তাদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। কারণ যা টাকা আয় হচ্ছে তা চড়া সুদ দিতে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় ঋণ নিয়ে সংসার সামলেছেন। এখন তারা মাছ ধরতে শুর্ব করলেও ঋণের টাকা শোধ করতে সময় চলে যাবে।