সোনালী ডেস্ক: রাজশাহীর পুঠিয়ায় ২টি ইউনিয়নের নির্বাচন ও তানোরের কলমা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও শানিত্মপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পুঠিয়া প্রতিনিধি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার পুঠিয়ায় দুটি ইউনিয়ন পরিষদে শানিত্মপূর্ণ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যনত্ম উপজেলার পুঠিয়া সদর ইউনিয়ন ও জিউপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়াও ৬টি পদের বিপরীতে সংরড়্গিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ১৭ জন ও ১৮টি সাধারণ সদস্য পদের বিপীরতে ৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৫ জুলাই বৃহস্পতিবার পুঠিয়া সদর ইউনিয়ন ও জিউপাড়া ইউনিয়নে শানিত্মপূর্ণ ভাবে ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকায় কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সকাল ৮টা থেকে জিউপাড়া ইউনিয়নে এবং সকাল ৯ টা থেকে পুঠিয়া সদর ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৫টা পর্যনত্ম দুই ইউনিয়নের ভোট গ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত ছিলো চোখে পড়ার মত। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নারী-পুরম্নষ উভয় ভোটাররা শানিত্মপূর্ণ ভাবে ভোট দিয়েছেন। পুঠিয়া সদর ইউনিয়নে প্রথমবারের মত ইভিএমে ভোট গ্রহণ হলেও জিউপাড়া ইউনিয়নে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।
তানোর প্রতিনিধি জানান, তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে শানিত্মপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যনত্ম ভোট গ্রহণ চলাকালে সময়ে কোথাও কোন অপ্রিতীকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
তবে দুপুরে আজিজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে তানভির রেজা নামের নৌকার এক এজেন্ট বাইরে আসার পর পিজাইডিং অফিসার একেএম মাহাবুব তাকে দুপুরের পর আর ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেননি।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সরেজমিনে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যনত্ম ভোট কেন্দ্রেগুলো পুরুষ ভোটর শূন্য থাকলেও নারী ভোটাররা সকাল থেকেই কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেছেন। তবে দুপুরের পর থেকে পুরুষ ভোটাররা কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে ভোট দিতে শুরু করেন। সকাল ১০টায় দর্গাডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে কোন পুরুষ ভোটার দেখা যায়নি, দু চারজন নারী ভোটারকে কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করতে দেখা গেছে। সাড়ে ১১টায় বিলিস্ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি থাকলেও পুরুষ ভোটার ছিল শূন্য। দুপুর ১২টার দিকে কলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একই দৃশ্য লড়্গ করা গেছে। উলেস্নখ্য, গত ১০ ফেব্রম্নয়ারি কলমা ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান লুৎফর রশিদ হায়দার ময়না পদত্যাগ করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করায় পদটি শূন্য হয়।