চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যুরো: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমসত্মাপুরে জালিয়াতির মাধ্যমে দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় হসত্মানত্মর করে আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাব রেজিস্ট্রার বসু প্রদীপ কুমার ও মহনত্ম এস্টেটের সেবায়েত ড়্গিতীশ চন্দ্র আচারিকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। উচ্চ আদালতের দেয়া ৪ সপ্তাহের অনত্মবর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে বৃহস্পতিবার তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সেশন জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ লিয়াকত আলী মোলস্না জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকারের অনুমতি ছাড়া গোমসত্মাপুরের মহনত্ম এস্টেটের প্রায় ৪৪ একর দেবোত্তর সম্পত্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোসত্মফা বিশ্বাসসহ ৮ জনের নামে দলিলের মাধ্যমে হসত্মানত্মর করেন ওই এস্টেটের সেবাইত ড়্গিতীশ চন্দ্র আচারি। নিয়ম ভঙ্গ করে ওই জমি রেজিস্ট্রি করেন গোমসত্মাপুরের তৎকালীন সাব-রেজিস্টার বসু প্রদীপ কুমার। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ অনুযায়ী সরকারের অনুমতি ছাড়া দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় হসত্মানত্মর করার অভিযোগে গত ১৮ জুন দুদকের রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল-আমিন বাদি হয়ে গোমসত্মাপুর থানায় মহনত্ম এস্টেটের সেবাইত ড়্গিতীশ চন্দ্র আচারি, সাবেক সাংসদ গোলাম মোসত্মফা বিশ্বাস, সাব রেজিস্ট্রার বসু প্রদীপ কুমারসহ ১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
উচ্চ আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের অনত্মবর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে মহনত্ম এস্টেটের সেবাইত ড়্গিতীশ চন্দ্র আচারি ও সাব রেজিস্ট্রার বসু প্রদীপ কুমার উচ্চ আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সেশন জজ আদালতে জামিনের আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ লিয়াকত আলী মোলস্না জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।