বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার নিয়মে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এবছর লিখিত এবং এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) উভয় পদ্ধতিতে নেওয়া হবে পরীড়্গা। সেই সাথে এবার দ্বিতীয়বার পরীড়্গায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না শিড়্গার্থীরা, একজন শিড়্গার্থী একটি মাত্র ইউনিটে পরীড়্গা দিতে পারবেন। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীড়্গা কমিটির সভায় এ সিদ্ধানত্ম নেওয়া হয়।
ভর্তি পরীড়্গা উপ-কমিটির সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভর্তি পরীড়্গা আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন আগামী ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় শুরম্ন হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যনত্ম চলবে। চূড়ানত্ম আবেদন চলবে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যনত্ম।
কমছে ইউনিট ও পরীড়্গা দেওয়ার নির্দিষ্টতা: ২০১৯-২০ শিড়্গাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা তিনটি ইউনিটে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নিয়েছে ভর্তি পরীড়্গা কমিটি। ‘এ’ ইউনিটের অধীনে কলা অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, আইন অনুষদ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ও চারম্নকলা অনুষদের পরীড়্গা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগ পরিবর্তনকারী শিড়্গার্থীরাও ‘এ’ ইউনিটে পরীড়্গা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ‘বি’ ইউনিটের অধীনে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের পরীড়্গা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের অধীনে বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূবিজ্ঞান অনুষদ, কৃষি অনুষদ এবং প্রকৌশল অনুষদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ইউনিটে ৩২ হাজার শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। একজন শিড়্গার্থী কেবলমাত্র একটি ইউনিটে পরীড়্গা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
আবেদন প্রক্রিয়া ও যোগ্যতা : একজন পরীড়্গার্থী একটি মাত্র ইউনিটে আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে ৫৫ টাকা দিয়ে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলের ভিত্তিতে ইউনিট প্রতি ৩২ হাজার শিড়্গার্থী পাবেন চূড়ানত্ম আবেদনের সুযোগ। চূড়ানত্ম আবেদনের সুযোগ প্রাপ্তরা পরে ১৯২০ টাকা দিয়ে পুনরায় আবেদন করবেন। মানবিকে প্রাথমিক আবেদনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৩ সহ ন্যুনতম ৭.০০, বাণিজ্যে জিপিএ-৩.৫সহ ন্যুনতম ৭.৫০ ও বিজ্ঞান বিভাগে ন্যুনতম জিপিএ-৩.৫ সহ ৮.০০ পয়েন্ট থাকতে হবে।
লিখিত ও এমসিকিউ উভয় নিয়মেই পরীড়্গা: চলতি শিড়্গাবর্ষে লিখিত ও এমসিকিউ দুই পদ্ধতিতেই পরীক্ষা নেয়া হবে। ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং লিখিত ৪০ নম্বরের লিখিত পরীড়্গা হবে। সংড়্গিপ্ত লিখিত প্রশ্ন হবে ২০টি, প্রতি প্রশ্নের মান ২ নম্বর। এমসিকিউ পরীড়্গার সময় ৫০ মিনিট এবং লিখিত পরীড়্গার জন্য ৪০ মিনিট সময় পাবেন শিড়্গার্থীরা। পরীড়্গা সকাল ৯টা থেকে পৌনে ১১টা এবং ১২টা থেকে পৌনে ২টা পর্যনত্ম দুই শিফটে পরীক্ষা চলবে।