সোনালী ডেস্ক: ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা কৃষি ও পলস্নী ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রম্নমে ২০১৯-২০ সালের জন্য কৃষি ও পলস্নী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরম্নজ্জামান। তিনি বলেন, সরকারের কৃষি ও কৃষকবান্ধব নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে টেকসই উন্নয়নের নির্ধারিত লক্ষ্যের প্রথম ও প্রধান তিনটি লক্ষ্য তথা দারিদ্র্য বিমোচন, ড়্গুধা মুক্তি এবং সুস্বাস’্য অর্জনের উদ্দেশ্য কৃষি ঋণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ও পলস্নী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে।
ডেপুটি গভর্নর জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৩ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এবারের (২০১৯-২০) কৃষি ও পলস্নী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বিগত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। এই ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকার মধ্যে ১০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা দেবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো আর ১৩ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা দেবে বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এ সময় বিগত অর্থবছরের ঋণ বিতরণের হিসাব তুলে ধরেন তিনি। বিগত অর্থবছরে ৩৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৪ জন কৃষক কৃষি ও পলস্নী ঋণ পেয়েছেন, যার মধ্যে ১৬ লাখ ১ হাজার ৮৫৬ জন নারী। মনিরম্নজ্জামান এ বছরের নীতিমালার উলেস্নখযোগ্য অংশ তুলে ধরেন।
তিনি জানান, এ বছর থেকে ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব শাখা থেকে এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষি ও পলস্নী ঋণ বিতরণ করতে হবে। এসএমই লিংকেজ ব্যবহার কমাতে হবে। কাজুবাদাম, রাম্বুটান, কচুরিপানার ডাবল বেড পদ্ধতিতে আলু চাষে ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এখন থেকে শস্য ও ফসল ঋণের ক্ষত্রে সিআইবি রিপোর্ট তৈরি করেতে হবে। কিন’ নতুন মঞ্জুরি বা নবায়নের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যনত্ম শস্য ও ফসল ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি রিপোর্ট লাগবে