স্টাফ রিপোর্টার: গত এক মাসে মহানগরীতে প্রায় অর্ধশতাধিক ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন এবং বাকিরা মহানগরীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রামেক হাসপাতালে দু’জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে একজন বাজাজ পেইন্ট কোম্পানির গাড়ি চালক তাজমুল (৩০)। তিনি চারঘাট ভাটপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। অপরজন প্রাণ কোম্পানির স্টাফ রায়হান হোসন (২১)। তিনি ঢাকা বাড্ডা এলাকায় থাকেন এবং নাটোরের গুরম্নদাসপুর এলাকার বাসিন্দা।
রামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল বাজাজ পেইন্ট কোম্পানির প্রাইভেট কার চালক তাজমুল ও প্রাণ কোম্পানির স্টাফ রায়হান ঢাকা হতে ডেঙ্গু রোগে আক্রানত্ম হয়ে রাজশাহী এসে অসুস’ হয়ে পড়েন। গতকাল সকালে তাদেরকে রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য বিশেষ ওয়ার্ড ১৭ নম্বর কেবিনে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান।
গত কয়েকদিন আগে ৫ জন ডেঙ্গু রোগী রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন। একজন রামেক চতুর্থ বর্ষের শিড়্গার্থী জাহান আলম, অপর তিনজন নাটোর লালপুরের সালাউদ্দিন (২৮), মোহনপুরের শফিকুল ইসলাম (৩০) ও নগরীর ভাটাপাড়া এলাকার ইমরান মালিথা (২৮)। এরমধ্যে ৪ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস’ হয়ে বাড়ি ফিরলেও একজন রোগীর অবস’া আশঙ্কাজনক। এরা সকলেই ঢাকা হতে ডেঙ্গু’ আক্রানত্ম হয়ে এসেছেন। তবে এখন পর্যনত্ম স’ানীয়ভাবে কোন ডেঙ্গু রোগে আক্রানত্ম রোগী পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বেসরকারি বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক ডেঙ্গু রোগী ওই সকল প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে সহযোগী অধ্যাপক ডা. জহিরম্নল হক বলেন, বেসরকারি চেম্বারে প্রতিদিনই দু’একজন করে ডেঙ্গু আক্রানত্ম রোগী আসছেন। যারা ডেঙ্গু আক্রানত্ম হয়ে আমাদের কাছে আসছেন তারা প্রত্যেকেই ঢাকাতে গিয়ে আক্রানত্ম হয়েছেন। তবে এ পর্যনত্ম ডেঙ্গু রোগে আক্রানত্ম স’ানীয় কোন রোগী পাওয়া যায়নি।