সোনালী ডেস্ক: বগুড়ার নন্দীগ্রাম ও সিরাজগঞ্জ সদরে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হলেন ২ যুবক।
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান, বগুড়ার নন্দীগ্রামে ছেলেধরা সন্দেহে জনি মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে গণপিটুনি দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওই যুবক বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাতই গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। তিনি একজন ট্রাকের হেলপার। মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে তিনি রণবাঘা বাজারে ঘোরাফেরা কর-ছিলেন। এ সময় স’ানীয়রা তাকে ছেলেধরা সন্দেহ করে গণপিটুনি দেয়। এ বিষয়টি নন্দীগ্রাম থানার এসআই মনোয়ারুল ইসলাম জানতে পেরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্র্বত রণবাঘা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। স’ানীয়রা জানিয়েছেন, তাকে ছেলেধরা সন্দেহ করে গণপিটুনি দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। আসলে তিনি ছেলেধরা কিনা তা নিশ্চিত নয়। থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি ট্রাকের হেলপার। রণবাঘায় তার এক বন্ধুর খোঁজে এসে এ পরিসি’তির শিকার হয়েছেন। এদিকে কাউকে ছেলেধরা সন্দেহ করে মারপিট বা গণপিটুনি না দিয়ে থানা পুলিশর নিকট সোপর্দ করার জন্য থানা পুলিশের পৰ হতে মাইকিং করা হচ্ছে। আর এ ধরণের গুজবে কান না দেয়ার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয় ।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সিরাজ-গঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করেছে স’ানীয়রা। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার পাইকপাড়া দারুল কোরআন কওমি মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে সদর থানার এসআই এম হাসান মাহমুদ জুয়েল জানান। আহত ৩৫ বছর বয়সী আলম পৌর এলাকার গয়লা বটতলা এলাকার আবদুর রহিমের ছেলে। তাকে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে ‘ছিঁচকে চোর’ ও ‘মাদকাসক্ত’ বলে পুলিশ জানায়। এসআই হাসান মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার অধ্যৰ হাফিজুর রহমান, পাইকপাড়া গ্রামের আয়নাল হক, মোকলেছুর রহমান ও আবদুল আওয়াল নামে চারজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।