চারঘাট প্রতিনিধি: চারঘাট উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কি.মি. উত্তর পশ্চিম দিকে চৌমুহনী এলাকায় শিড়্গা বিসত্মারের লড়্গ্যে ২০০৩ সালে স’াপিত হয়েছিল চৌমুহনী পদ্মা টেকনিক্যাল কলেজ। কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছরই পরীড়্গার ফলাফল সনেত্মাষ জনক।
চলতি বছরেও চৌমুহনী পদ্মা টেকনিক্যাল কলেজ থেকে ১০১ জন শিড়্গার্থী এইচএসসি পরীড়্গায় অংশগ্রহণ করে ৯৮ জন পাস করেছে। ১৭ জুলাই পরীড়্গার ফল প্রকাশ হলে দেখায় ৫ জন জিপিএ-৫ ও অন্যান্যরা সবাই এ-গ্রেডে পাস করেছে। ফলে এবারও পাসের ধারাবাহিকতা অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার চৌমুহনী পদ্মা টেকনিক্যাল কলেজে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিড়্গার্থীরা পাসের আনন্দ উলস্নাস করছে, সেই সাথে শিড়্গকরাও উলস্নাস করছেন। ওই সময় কলেজের শিড়্গক ইন্দ্রজিৎ কুমার সরকারসহ কয়েকজন শিড়্গক দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিনা বেতনে আর কতদিন শ্রম দিতে হবে জানি না। দীর্ঘ ১৬টি বছর ধরে বিনা বেতনে চাকরি করছি, একমুঠো ডালভাতের আশায়। তবুও আশা ছাড়িনি। এ সময় কলেজের একজন শিড়্গক বলেন, আমার স্বামী একজন ড়্গুদ্র ব্যবসায়ী। ছেলে-মেয়েকে প্রতিষ্ঠিত করার আশায় চাকরি নিয়েছিলাম। দীর্ঘ ১৬টি বছর ধৈর্য্য ধারণ করে দায়িত্ব পালন করে আসছি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বছরে দুটি ঈদের সময় এলে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা বেতন-বোনাস তুলে ঈদের পোশাকসহ বিভিন্ন সামগ্রী কিনে স্ত্রী-সনত্মানদের নিয়ে আনন্দে ঈদ কাটায়। অথচ আমাদের সনত্মানরা এতিমের মত অসহায় অবস’ায় ঈদ পার করে। এ সময় সদ্য পাস করা শিড়্গার্থী আরিফুল ইসলাম ও খাদিজা খাতুন বলেন, আমাদের এত ভাল ফলাফলের পরেও স্যারদের বেতন হয় না কেন?
কলেজের অধ্যড়্গ আমিনুল হক বলেন, এলাকায় শিড়্গা বিসত্মারের লড়্গ্যেই ২০০৩ সালে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। কিনত্মু কে জানে যে বিনা বেতনে অর্ধাহারে অনাহারে শ্রম দিতে হবে। তবে বর্তমান সরকার অল্প সময়ের মধ্যে তাদের প্রতি নেক নজর দিবেন এমন প্রত্যাশা অধ্যড়্গের।