যে কোনো ভ্রমণকে ঝুঁকিমুক্ত রাখার ব্যবস্থা থাকাই স্বাভাবিক। সড়ক, রেল, আকাশ পথের মতো নৌ-ভ্রমণকে ঝুঁকিমুক্ত রাখাও গুরম্নত্বপূর্ণ। এখানে প্রাণহানির প্রশ্ন জড়িত। তাই রাষ্ট্রীয়ভাবেই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও পদড়্গেপ নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু রাজশাহীর পদ্মায় নৌ-ভ্রমণের ড়্গেত্রে কোনো বাধা নিষেধই কার্যকর হচ্ছে না। অবাধে ভরা নদীতে নৌ-ভ্রমণে যেয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে ভ্রমণ পিপাসুদের।
রাজশাহী মহানগরের পাশের পদ্মা নদীর অনত্মত ৮ পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন ধরনের নৌকায় যাত্রী বোঝাই করে নিয়ে যায় মাঝিরা। সাম্প্রতিক একটি দুর্ঘটনার পর প্রশাসনের পড়্গ থেকে কিছু নির্দেশনা জারী করা হলেও মাঝিরা কিছুই তোয়াক্কা করছে না। দুয়েকটি নৌকায় লাইফজ্যাকেট থাকলেও তা কোনোযাত্রীই পরছে না। নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সন্ধ্যা ৬ টার পরও নৌকা ছেড়ে যাচ্ছে ঘাট থেকে। কিশোর বয়সের মাঝিরাও অবাধে যাত্রী বোঝাই নৌকা চালাচ্ছে।
গত ১৪ জুলাই নৌকায় থাকা বেঞ্চসহ দুই তরম্নণী নদীতে পড়ে হাবুডুবু খেলেও প্রাণে বেঁচে যায়। ঢেউয়ের দোলায় পড়ে যাওয়া বেঞ্চ ধরেই তারা মৃত্যুর হাত থেকে নিসত্মার পায়। তারপরও যে কারও হুঁশ ফেরেনি তার প্রমাণ পাওয়া গেল গত শনিবার ২০ জুলাই আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি থেকে। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
এ ড়্গেত্রে নবগঠিত নৌ পুলিশ জনবল সংকটের কারণে কার্যকর ভূমিকা পালনে সড়্গম না হলেও স্থানীয় প্রশাসন, নগর কর্তৃপড়্গসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল মহলের নিষ্ক্রিয়তা অস্বীকার করা যায় না। ভ্রমণ পিপাসু নৌ-ভ্রমণকারীদের সচেতনতার বিষয়টিও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। কেন তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েও নৌ ভ্রমণে যাচ্ছেন ? নৌকায় লাইফ জ্যাকেট না পরার মধ্যে কোনো বাহাদুরি আছে কি? আর লাইফ জ্যাকেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া ভরা নদীতে মাঝিরা নৌকা ছাড়েই বা কিভাবে। বিষয়টির প্রতি আমরা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও সংশিস্নষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।