গতকালের পত্রিকায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চারজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন থাকার কথা বলা হয়েছে। এরপর রাজশাহী ডেঙ্গুমুক্ত, এ কথা বলার সুযোগ থাকলো না।
তবে চার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে তিনজনই ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রানত্ম হয়ে রাজশাহীতে রেফার্ড হয়েছেন। বাকীজন রামেকের চতুর্থ বর্ষের শিড়্গার্থী। এই ডেঙ্গু আক্রানত্মদের অবস্থা ভালো বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপড়্গ। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা বোর্ড গঠন ও বস্নাড ব্যাংকে পর্যাপ্ত রক্তের চাহিদা দেয়া আছে বলেও জানানো হয়েছে। রোগীদের খরচা সরকারিভাবে মেটানো হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলাদা ওয়ার্ড তৈরি করাসহ যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি থাকার কথাও জানানো হয়েছে।
রামেক হাসপাতালের এই প্রস্তুতি স্বসিত্মজনক হলেও নগরবাসী স্বসিত্মতে আছে বলা যাবে না। নগর জুড়ে চলছে মশার দাপট। আর এডিস মশাই যে ডেঙ্গুর জীবানু বহন করে এবং ছড়িয়ে দেয় সেটা তো সবার জানা। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণহীন হওয়ার কথা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ জন্য দুই সিটি কর্পোরেশনের মশা নিধন কর্মসূচির অকার্যকারিতাকেই দায়ি করা হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে মশা নিধনে যে ওষুধ ছেটানো হচ্ছে তা মানসম্পন্ন না হওয়ায় পরিস্থিতির ভয়াবহতা ঠেকাতে এখন জোরালো পদড়্গেপ নেওয়া হচ্ছে।
তবে রাজশাহীতে মশা নিধনে তেমন কোনো কার্যক্রম এখন পর্যনত্ম চোখে পড়েনি নগরবাসীর। অবিলম্বে মশা নিধন অভিযান শুরম্ন করা জরম্নরি হয়ে উঠেছে। নইলে বিপদ ঘনিয়ে আসার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপড়্গ প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করবে এটাই সবার কাম্য।