বিশেষ প্রতিনিধি : ভ্যাপসা গরমে বিদ্যুতের আসা যাওয়ার খেলায় মানুষের দুরাবস’া সীমা ছাড়িয়ে গেলেও মাথা ব্যাথ্যা নাই সংশিস্নষ্ট কতৃপড়্গের। এ নিয়ে বিদ্যুত সঞ্চালন ব্যবস’া রড়্গনাবেড়্গনের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি ড়্গোভ বিরাজ করছে গ্রাহকের মধ্যে।
অভিযোগ রয়েছে ঘন, ঘন বিদ্যুৎ আসা যাওয়া এবং লো বা হাই ভোল্টেজের কারনে বিদ্যুৎ চালিত পণ্য সামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে করে গ্রাহক আর্থিক ভাবে ড়্গতির সম্মুখিন হলেও এর কোন দায় বর্তাচ্ছে না বিদ্যুৎ বিভাগের উপর। নিজেদের রড়্গায় সমসত্ম আইনই তাদের পড়্গে। যাতে করে গ্রাহকরা ড়্গতিগ্রস’ হলেও প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ যাই না আসে বোঝার উপায় নাই গ্রাহকের। এই আছে, এই নাই। এক ঘন্টার মধ্যে কত বার আসে কত বার যায় তার হিসাব নাই। গ্রাহকের অভিযোগ এই ভাবে বিদ্যুৎ যাওয়া আসায় নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্য সামগ্রী।
কিন’ বিদ্যুতের ঘাটতির বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসের বক্তব্য বিদ্যুতে কোন ঘাটতি নাই, সমস্যা সরবরাহে। মানুষ বলছে ঘাটতি বা বিভ্রাট যাই হোক না কেন অসংখ্য বার বিদ্যুতের আসা যাওয়ার খেলা দেখছে মানুষ পড়ছে ভোগানিত্মতে। যা নিয়ে ড়্গোভ বাড়ছে গ্রাহকের মধ্যে। দিনে রাতে অসংখ্য বার বিদ্যুৎ যাচ্ছে। একবার গেলে অনেক ড়্গেত্রেই আসছে ১ থেকে দেড় বা দুই ঘন্টা পর। আবার ৫/৭ মিনিট পরই তা টেনে নেয়া হচ্ছে। দেওয়ার সাথে অর্থাৎ ১০ মিনিটের মধ্যে কয়েক বার ঘটছে বিদ্যুৎ টানার ঘটনা। যাতে করে বিদ্যুৎ চালিত পণ্য সামগ্রী ড়্গতির পাশাপাশি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক বাল্ব, ফ্রিজ এবং টিভির উপর পড়ছে বিরম্নপ প্রভাব। এমন কোন দিন নাই যেদিন যাচ্ছেনা বিদ্যুৎ। প্রতিদিনই অসংখ্য বার বিদ্যুৎ থাকছে না নগরীর কোন না কোন এলাকায় । দিনে রাতে যখন তখন যাচ্ছে বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ থাকছে না ঘন্টার পর ঘন্টা। দফায় দফায় বিদ্যুৎ না থাকায় অফিস আদালতের কাজে নেমে আসছে অসি’রতা। বিদ্যুতের কারণে আদালত এবং শিড়্গা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালসহ ক্লিনিকগুলিতে চিকিৎসা নিতে মানুষকে পড়তে হচ্ছে অমানবিক অবস’ার মধ্যে। বিদ্যুৎ না থাকায় থাকছে না সাপস্নাই পানির সরবরাহ। এতে করে পানি নিয়েও ভোগানিত্ম বাড়ছে মানুষের। পালাক্রমে ঘন ঘন বিদ্যুতের আসা যাওয়ায় মানুষ বিরক্ত। অন্যদিকে বিদ্যুৎ অফিসের দাবি চাহিদার সিংহ ভাগই জাতীয় গ্রীড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। কিন’ সঞ্চালন লাইন এবং ট্রান্সফরমারসহ যান্ত্রিক ত্রম্নটির কারনে সুষ্ঠু বিদ্যুৎ সরবাহে বিঘ্ন ঘটছ্‌ে। এছাড়াও নগরীতে নিয়ম নীতি উপেড়্গ করে বাড়ছে এসি’র ব্যবহার। এটিও বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের এসব কথায় সনেত্মাষ্ট হতে পারছেন না গ্রাহকরা। গ্রাহকের দাবি দিনের পর দিন আর কত অজুহাত দিয়ে চলবে বিদ্যুতের এই দূরাবস’া। বিদ্যুৎ অফিসের যুক্তি যাই হোক মানুষ দেখছে বিদ্যুতের দুরাবস’া। গ্রহকের বক্তব্য আমরা রড়্গনা বেড়্গনসহ বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করছি। কতৃপড়্গের দায়িত্ব অজুহাত ছাড়া আমাদের সূষ্ঠু বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
এদিকে গ্রীষ্মের প্রখরতায় বিদ্যুতের এই অবস’া নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী। বিদ্যুতের কারনে বিভিন্ন এলাকায় খাবার পানি, গোসল, গৃহস’ালিসহ নানান কাজে ঠিকমত পানি না পেয়ে বেকায়দায় পড়ছেন মানুষ। অজুহাত ছেড়ে বিদ্যুতের এই আসা যাওয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা।