দফায় দফায় উৎপাদন বৃদ্ধির খবর খুশির হলেও তা হারিয়ে যায় বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার ভেলকিবাজিতে। পাশাপাশি মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হলেও দেখার কেউ নেই। এই নিয়ে দিন কাটছে রাজশাহীবাসীর।
মঙ্গলবার বিকালে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতই বিদ্যুৎ চলে যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। রাণীবাজার এলাকায় দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টায়ও আর বিদ্যুতের দেখা মিলেনি। অথচ এসময় ঝড়-বৃষ্টি কিছুই ছিল না। এমনভাবে নিত্যদিনই বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার খেলা চলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। এর কারণও সব সময় জানা যায় না বলে অভিযোগ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের।
একইভাবে নগরজুড়ে মশার দাপট সইতে হচ্ছে মানুষকে। বর্ষণ শুরম্নর সাথে সাথেই মশার উৎপাতও বাড়তে শুরম্ন করেছে। দিন-রাত সব সময়েই মশার কামড়ে অস্থির নগরবাসী। মশার হাত থেকে বাঁচতে কয়েলের ব্যবহার বেড়ে গেছে। পড়াশোনা এমনকি রান্নার সময়েও কয়েল জ্বালিয়ে মশা তাড়াতে হচ্ছে। ডেঙ্গু-চিকনগুনিয়ার আতঙ্কে মানুষ এখন একটু বেশিই সতর্ক হওয়ায় বেড়ে গেছে কয়েলের বিক্রি। ড়্গতিকর জেনেও নিরূপায় মানুষ বিকল্প পথ খুঁজে পায় না।
নগরীর নিম্নাঞ্চলে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে মশার বংশ বিসত্মার ঘটছে দ্রম্নত। বেশ কয়েক বছর ধরে নগরীতে মশা নিধনের অভিযান বন্ধ রেখেছে সিটি কর্পোরেশন। এছাড়াও অনেক স্থানের ড্রেন-নালায় জমে থাকা নোংরা পানি ও ময়লা আবর্জনা মশা-মাছির উৎপাত বাড়ানোর সহায়ক হয়ে উঠেছে।
এসব নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে সিটি কর্পোরেশন ও বিদ্যুৎ বিভাগের পদড়্গেপ গ্রহণ করা জরম্নরি হয়ে উঠেছে।