সরকার কৃষকের স্বার্থ রৰায় অতিরিক্ত ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে অনুযায়ী উপজেলাগুলোতে ধান কেনা শুর্বও হয়েছে। কিন’ এতে করে প্রকৃত কৃষকরা কতটা উপকৃত হবেন সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা থেকে সরকারি গুদামে ধান ক্রয়ে অনিয়মের খবর পত্র-পত্রিকায় ফলাও প্রচার পাচ্ছে।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার দুটি খাদ্য গুদামের জন্য প্রথম দফায় মোট ৩শ ৬৯ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়। দ্বিতীয় দফায় আরও দু’টি খাদ্যগুদামের জন্য ৬শ ১৫ মেট্রিক টন ধান কেনার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সে অনুযায়ী কামারগাঁ খাদ্যগুদামে ২শ ৩২ মেট্রিক টন ধান কেনার কথা। কিন্তু তালিকা নিয়ে জটিলতার কারণে কৃষকদের বাধার মুখে সেই ধান কেনা বন্ধ হয়ে গেছে।
এর আগেও তানোরের বিভিন্ন খাদ্য গুদামে ধান কেনায় ঝামেলার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইউএনও সরাসরি কৃষকদের থেকে ধান কেনার ঘোষণা প্রচার করলে ধান নিয়ে আসা কৃষকরা বাধার মুখে পড়েন। এলাকার প্রভাবশালীরা নিজেরা ধান সরবরাহ করে ফায়দা লোটার জন্য কৃষকদের বাধা দেয় বলে জানা গেছে।
কামারগাঁ খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহের তালিকাভুক্ত কৃষকদের বাধা দেয় তালিকায় বাদপড়া কৃষকরা। এখানে তালিকা করার ৰেত্রে অনিয়ম, না-কি অন্য কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে সেটা ভেবে দেখার বিষয়। অন্যান্য উপজেলা থেকেও সরকারি গুদামে ধান কেনার ৰেত্রে নানা অনিয়মের খবর লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে। এসবই সরকারের কৃষক স্বার্থ রৰার প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেবার জন্য যথেষ্ট বলাই যায়।
প্রতিটি উপজেলায় সরকারি গুদামে ধান ক্রয়ে অনিয়ম ও অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সমাধান করা হবে, এটাই সবাই দেখতে চায়।