তৈয়বুর রহমান: মশার কামড়ে অতিষ্ঠ নগরবাসী। বৃষ্টি শুরম্নর সাথে সাথে ফুসে উঠেছে মশা। এই সময় মশার বংশ বিসত্মারের সময়। এ সময় যত্রতত্র পানি জমে থাকে। ময়লা আবর্জনা জমে পচন ধরে। এতেই মশা ডিম পাড়ে। এ থেকেই মশা চারি দিকে ছড়িয়ে পড়ে। আর দীর্ঘদিন রাসিকের মশক নিধনের কোন কার্যক্রম না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মশককুল।
গত ৫ বছরে বড় কোন নিধনের অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় দিনে দিনে বেড়ে উঠেছে মশা । এখন এমন এক পরিসি’তির সৃষ্টি হয়েছে যে মশার কামড়ে মানুষের কোথাও স্বসিত্ম নেই, নিসত্মার নেই । মশার উপদ্রব এমন বেড়েছে যে খেতে বসে মশা, শুতে গিয়ে মশা, বাথরম্নমে মশা,এমন কি বাসে, ট্রেনে উঠেও মশা কামড় দিচ্ছে। যেখানে যাচ্ছে মানুষ সেখানেই মশার কামড়। সুযোগ পেলেই কামড় বসাচ্ছে। কোথাও গিয়ে রড়্গা নেই।
বৃষ্টিপাত শুরম্ন হওয়ায় নগরীর নিম্নাঞ্চলে পানি জমা হতে শুরম্ন হয়েছে। শহরের নিম্নাঞ্চল আর নগরীর ড্রেনসহ বিভিন্ন স’ানে জমে থাকা আবর্জনায় পানি পেয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মশা। অচিরেই তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস’া না নেয়া হলে যে কোন মুহূর্তে ঢাকার মত ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার কবলে না পড়তে হয় রাজশাহীবাসীকে সে বিষয়েও এখনই ব্যবস’া নেয়া দরকার।
ইতোমধ্যে ঢাকাতে ডেঙ্গু পরিসি’তি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। আবারও আরও কয়েকটি জেলা ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ছোট-বড় সকলেই আক্রানত্ম হচ্ছে। রাজশাহীতে ডেঙ্গু বিসত্মার না হলেও মশার যে দাপট বেড়েছে তাতে এখনই ব্যবস’া না নেয়া হলে ভবিষ্যতে পরিসি’তি ভয়াবহ হতে কতড়্গণ। তাই এখনই মশক নিধনের ব্যবস’া গ্রহণ খুবই জরম্নরি। মশক নিধনের ব্যবস’া না নিলে হয়তো আমাদেরও ঢাকার মতই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।
নগরীতে অপরিকল্পিতভাবে বাড়ি-ঘর তৈরি হচ্ছে। আশপাশে গর্ত হচ্ছে। সেখানে ঝোপঝাড় জন্ম নিচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে পানি জমেছে। ঘাসপালা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ঐসব এলাকার আশপাশের বাড়ি-ঘর হতে নেমে আসা পানি খানা-খন্দকে জমছে। জমে থাকা খালে ও ড্রেনে মশা ডিম পাড়ছে। নগরীর রাসত্মাগুলোতে চাকচিক্ক বাড়লেও পাড়া-মহলস্নার এখানে ওখানে জঞ্জাল থেকেই যাচ্ছে। এখানে থেকেই মশা মাছি জন্ম নিচ্ছে।
রাসিক মশক নিধনের ব্যাপারে কোন পদড়্গেপ নিয়েছে কি না জানতে চাওয়া হলে রাসিক পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মাহমুদ মামুন ডলার বলেন, সিটি কর্পোরেশন মশা নিধনের জন্য প্রধানত: ফগার মেশিন ব্যবহার করে। এখন পর্যনত্ম মশা নিধনের কোন সিদ্ধানত্ম হয়নি।