এফএনএস: কুমিলস্নায় আদালত কক্ষে এক আসামি আরেক আসামিকে ছুরি মেরে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন জানান, এএসআই ফিরোজ গত সোমবার রাতে মামলাটি করেন। গত সোমবার বেলা ১১টার দিকে কুমিলস্নার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফারম্নক (২৮) নামে এক আসামিকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়। এ সময় হামলাকারী হাসানকে আটক করা হয়। ফারম্নক ও হাসান সম্পর্কে মামাত-ফুফাত ভাই। একটি মামলায় হাজিরা দিতে তারা এই আদালতে এসেছিলেন। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে হত্যাকা-ের এই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরিদর্শক সালাউদ্দিন বলেন, জেলার বাঙ্গরা থানার এএসআই ফিরোজ ওই সময় আদালতে ছিলেন। তিনিই হাসানকে আটক করেন। হাসানকে এ মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে। মামলার নথির বরাতে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে কুমিলস্নার মনোহরগঞ্জের কান্দি গ্রামে আবদুল করিম নামে এক ব্যক্তি খুন হন। গত সোমবার ওই মামলার জামিনে থাকা আসামিদের হাজিরার দিন ছিল। বেলা ১১টার দিকে মামলার আসামিরা আদালতে প্রবেশের সময় ৪ নম্বর আসামি ফারম্নককে ছুরি নিয়ে তাড়া করেন ৬ নম্বর আসামি হাসান। ফারম্নককে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন হাসান। এ সময় আদালতে অন্য একটি মামলার হাজিরা দিতে আসা বাঙ্গরা থানার এএসআই ফিরোজ গিয়ে হাসানকে আটক করেন। এ সময় আদালত কক্ষে বিচারক, আইনজীবী ও অন্য আসামিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবাই ভয়ে ছুটোছুটি শুরম্ন করেন। আহত ফারম্নককে কুমিলস্না মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।