স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর কাজলা এলাকায় পুকুর দখল করা নিয়ে দুই পৰের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে একটি পৰ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপৰ (আরডিএ) ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তবে কেউই কোনো ব্যবস’া নেয়নি। ফলে পরিসি’তি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাজলা এলাকায় সাড়ে ১১ বিঘা আয়তনের একটি পুকুর রয়েছে। স’ানীয়রা একে ‘কাজলা দীঘি’ নামেই চেনেন। এলাকার রফিকুল ইসলাম ও তার আপন ৯ ভাই এবং এক ফুফাতো ভাই পুকুরটির মালিক। সবার অংশই সমান। এদের মধ্যে রফিকুল ইসলামের বড় ভাই তার অংশের ৩৩ শতক থেকে ১ শতক পুকুরের জমি বিক্রি করেছেন। গোলাম মোস্তফা নামে এক ব্যক্তি সেটি কিনেছেন।
সম্প্রতি গোলাম মোস্তফা পুকুরের এক পাড় থেকে তার অংশ ভরাট করে সীমানা প্রাচীর দিতে শুর্ব করেছেন। কিন’ পুকুরের অন্য শরীরকরা বলছেন, গোলাম মোস্তফা যতটুকু কিনেছেন তার চেয়েও বেশি দখল করছেন। আর এই দখল নিয়েই দুই পৰের মাঝে দেখা দিয়েছে উত্তেজনা। এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের স’ানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে দুই পৰ বসলেও সমাধান হয়নি।
পুকুরের অংশীদার রফিকুল ইসলাম বলেন, কাজলা মৌজায় পুকুরটি আরএস খতিয়ানভুক্ত। দাগ নম্বর- ১৫৭৮। এর পাশেই ১৫৭৯ নম্বর দাগে গোলাম মোস্তফার জমি রয়েছে। এ জন্য তিনি তার জমির পাশ থেকেই পুকুর দখল শুর্ব করেছেন। কিন’ দেশের আইন অনুযায়ী, পুকুরে কোনো শরীকেরই জমির নির্ধারিত জায়গা থাকে না। সবাই সব অংশের মালিক। এ আইন অমান্য করে মোস্তফা দখল করছেন।
রফিকুল বলেন, মাপজোখ করে না দেখলেও তাদের কাছে মনে হচ্ছে, মোস্তফা যতটুকু কিনেছেন তার চেয়েও বেশি দখল করছেন। রফিকুল বলেন, আমরা গোলাম মোস্তফাকে বলেছি, ভরাট না করার জন্য। পুকুরটি আমরা ইজারা দিয়ে বছরে একেকজন প্রায় পাঁচ লাখ টাকা পাই। এক শতাংশ মালিকানার জন্য মোস্তফা যে টাকা পান তাই দেয়া হবে। কিন’ তিনি আইন অমান্য করে দখল নেয়া শুর্ব করেছেন।
জানতে চাইলে গোলাম মোস্তফা বলেন, আমি জমি কিনেছি ১৩৬ বর্গফুট। এই জমিটিই প্রাচীর দিয়ে ঘিরে নিচ্ছি। বেশি জমি নেয়া হচ্ছে না। কিন’ পুকুরের অন্য অংশীদাররা বাধা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি এখানকার স’ায়ী বাসিন্দা না। তাই পেরে উঠছি না।
আরডিএ’র ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মো. বদর্বজ্জামান বলেন, পুকুর ভরাট এমনিতেই আইনবিরোধী কাজ। তারপরেও গোলাম মোস্তফার বির্বদ্ধে যে অভিযোগ হয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস’া নেবেন তাদের অথরাইজড অফিসার।