স্টাফ রিপোর্টার: রূপালী ব্যাংক রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রম্নয়েট) শাখায় ডাকাতির চেষ্টা ও প্রহরীকে জবাই করে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মুখোশধারীকে এখনো সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশ বলছে, কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।
রামেক হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক বলেন, লিটনের গলায় মারাত্মক জখম ছিল। তার অস্ত্রপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউ-২ তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তিনি এখানো শংকামুক্ত নন।
অপরদিকে, রূপালী ব্যাংক রম্নয়েট শাখায় ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তদনত্ম চলছে। খুব শীঘ্রই আসামীকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
আরএমপি’র মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (সদর) গোলাম রম্নহুল কুদ্দুস বলেন, ব্যাংকের সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ছবিতে দেখা যায় একজন মুখোশধারী ব্যাকের মূল গেটের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে প্রহরীকে কুপিয়ে জখম করে এবং হত্যার চেষ্টা চালায়। তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে সামান্য কিছু অগ্রগতিও হয়েছে। তবে তদনেত্মর স্বার্থে এ মুহূর্তে কিছু বলা যাবে না।
উলেস্নখ্য, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একজন মুখোশধারী রূপালী ব্যাংক রম্নয়েট শাখার মূল ফটকের তালা ভেঙে ব্যাংকের ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রহরীর কড়্গে গিয়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে কুপিয়ে জখম করে। এছাড়াও সিসি ক্যামেরাগুলো ডিসকানেক্ট করে দেয়। এরপর ব্যাংকের ভোল্ট ভাঙার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ প্রহরী লিটনকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত প্রহরী নগরীর টিকাপাড়া এলাকার নুরম্নল ইসলামের ছেলে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।