সোনালী ডেস্ক: রাজশাহীর গোদাগড়ী ও বাঘা এবং পাবনার বেড়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৫ জনের মৃত্যু ও ২ জন আহত হয়েছেন।
গোদাগাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মাছমারা বেনীপুর গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে দুরুল হোদা (৫০) মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থালেই মারা যান। মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আজম তোহিদ বলেন, নিহত দুরুল হোদার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বাঘা প্রতিনিধি জানান, বাঘায় বজ্রপাতে এক মহিষের মৃত্যু ও মালিক মুক্তার আলী ও তার ছেলে রাসেল আহম্মেদ আহত হয়েছেন। আহত ২ জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্রে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বাঘা পৌরসভার পাকুড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, উপজেলার বাঘা পৌরসভার পাকুড়িয়া গ্রামের মুক্তার আলী বাড়ির পাশে খালে একটি মহিষকে গোসল করাচ্ছিলেন। এ সময় ভারী বৃষ্টির সাথে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে মহিষের মৃত্যু হয়। এ সময় মহিষের মালিক মুক্তার আলী ও তার ছেলে রাসেল আহম্‌েদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্রে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপেস্নক্রর দায়িত্বরত চিকিৎসক আখতারুজ্জামান নিশ্চিত করে জানান, মুক্তার আলীর শরীরের কিছু কিছু জায়গায় ঝলসে গেছে ও তার ছেলে রাসেলের হাত পুড়ে গেছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। এ বিষয়ে ঘটনাটি শুনেছেন বলে জানান বাঘা থানার তদনত্ম ওসি আবদুল ওহাব।
পাবনা প্রতিনিধি জানান, পাবনার বেড়া উপজেলায় বজ্রপাতে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন, বেড়া উপজেলার চাকলা ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামের মোতালেব সরদার (৫৫), তার দুই ছেলে ফরিদ সরদার (২২) ও শরিফ সরদার (১৮) এবং একই গ্রামের রহম আলী (৫২)। বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আনাম সিদ্দিকী বলেন, শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নিহতরা পাচুরিয়া স্কুল মাঠের পাশে ডোবায় পাট জাগ দিচ্ছিলেন। এ সময় মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে তাদের ওপর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরো জানান, সরকারের পড়্গে নিহত পরিবারদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।