স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীতে পেয়াঁজের দাম বাড়তে শুরম্ন করেছে। এছাড়া আরেকদফা বেড়েছে চিনি ও ডিমের দাম। তাছাড়া অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীসহ এর উপকন্ঠের বাজারগুলোতে খোজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীতে হটাৎ করেই পেয়াঁজের দাম বাড়তে শুরম্ন করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পেয়াঁজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে ঘাটতি না থাকলেও ঈদকে সামনে রেখে পরিকল্পিত ভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারনে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম কমবে। গতকাল বাজারে প্রতিকেজি পেয়াঁজ দেশি ৩৫ থেকে ৪২, ভারতিয় ৩০ থেকে ৩৫, কাঁচামরিচ ৭০/৮০, বেগুন ২৫/৩০, আলু ২০/২৪, পটল ১৫/২০, করোলা ৩০/৩৫, কচু ৪০, শশা ৪০/৫০, পেপে ১০, ঢেড়স ২০, মিস্টিকুমড়া ৩০, ডাংগা ডাটা ১৫, লাউ-কুমড়া প্রতিপিস ২০, প্রতিহালি কলা ১০, লেবু ৮ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে ঈদের পর থেকে রাজশাহীতে ডিমের দাম বাড়তে শুরম্ন করেছে। ঈদের আগে খুচরা বিক্রেতারা প্রতিহালি সাদাডিম ২৪/২৫ এবং লাল ডিম ২৬/২৭ টাকায় বিক্রি করেছে। গতকাল প্রতিহালি সাদাডিম ৩৪/৩৬ এবং লালডিম ৩৬/৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ডিম বিক্রেতারা বলছেন, রমজান মাসে ডিমের দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের কারনে অনেক খামারি ডিম দেয়া মুরগি বিক্রি করে লেয়ার খামার বন্ধ করে দিয়েছে। এরফলে এখন এসে বাজারে ডিমের ঘাটতি দেখা দেয়ায় দাম বাড়তে শুরম্ন করেছে। তাছাড়া চিনির দাম কেজিতে ৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল ৫৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া গতকাল খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পোলাও এর চাল রকম ভেদে ৭০ থেকে ১শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গুটিস্বর্না ২৮/৩০, পারিজা/ লালস্বর্না ৩২/৩৩, আটাশ ৩৪ থেকে ৪২, মিনিকেট ৪৩ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি খোলা আটা ২৮, মুগ ডাল বড়দানা ৬০, ছোটদানা ১২০, মসুর ডাল বড়দানা ৫৫, ছোট দানা ১০৮, ছোলার ডাল ৯০, এংকর ডাল ৪০, খেসারি ডাল ৬০, প্রতিলিটার সয়াবিন তেল খোলা ৭৮, বোতল ১শ’ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে গতকাল প্রতিকেজি ছোটমাছ ৩শ’ থেকে ৬শ’, সিলভার কার্প ১২০ থেকে ১৩০, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৪০, রম্নই-কাতলা ১৮০ থেকে ২৮০, ইলিশ ছোট সাইজ (৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম) ৯শ’ থেকে ১ হাজার টাকা এবং বড় সাইজ (৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি) ১১শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি গরম্নর মাংস ৫৩০ থেকে ৫৫০, খাসির মাংস ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মুরগি ব্রয়লার ১২০ থেকে ১৩০, সোনালী ১৮০ থেকে ১৯০, দেশি ৪শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে।