হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি রুখে দাঁড়াও

  • 2
    Shares

সম্প্রতি রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপি নেতা, সাবেক মেয়র ও এমপি মিজানুর রহমান মিনুর উস্কানিমূলক বক্তব্যের নিন্দা ও ধিক্কার উঠেছে সর্বত্র। ওয়ার্কার্স পার্টি ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার জন্য মিনুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি।

অন্যদিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ছিল আওয়ামী লীগের। এই সময় পার করে মিনু দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন। ক্ষমা না চাওয়ায় আওয়ামী লীগ নগরীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ডেকেছে। পাশাপাশি মামলার প্রস্তুতিও চলছে বলে জানা গেছে। এর আগে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা-কর্মীরা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি অবজ্ঞা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণনাশের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মিনু যে অপরাধ করেছেন তার ক্ষমা নেই। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তি যিনি চাইতে পারেন তিনি অপরাধী নিঃসন্দেহে। কারণ রাজনীতিতে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, হত্যার ঘটনা গণতন্ত্রের পরিচয় নয়। এমন ভাবনা যাদের মাথায় ঘুরে বেড়ায় তাদের দেশ-জাতি-জনগণের শত্রু ছাড়া আর কি-বা বলা যায়।

প্রকাশ্য সমাবেশে আরেকটি ১৫ আগস্ট ঘটানোর ইঙ্গিতপূর্ণ ও উস্কানিমূলক বক্তব্য নিশ্চিতভাবেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা, ষড়যন্ত্র ও খুনের রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। এই রাজনীতি যে দল বা নেতা ধারণ করবেন তাকে সুস্থ, গণতন্ত্রমনা বলার সুযোগ নেই। এই অসুস্থ রাজনীতির পথ ধরেই দেশে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের জন্ম হয়েছে। এদের মদদ দিয়েছেন যারা তারা যে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করতে পারে না তার প্রমাণ বিএনপি নেতা মিনুর সাম্প্রতিক বক্তব্য। এমন বক্তব্যের পর নিশ্চুপ থাকার অর্থ দল হিসেবে বিএনপিও হত্যা-সন্ত্রাস- ষড়যন্ত্রের পক্ষপাতি।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে এই হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতিকে রুখে দাঁড়াবে, এটাই সবার প্রত্যাশা।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ