‘স্বীকৃতি ও মর্যাদা বঞ্চিত ছিলেন বীরবিক্রম আব্দুল খালেক’

  • 414
    Shares
দুর্বার প্লাটুনের কমান্ডার বীরবিক্রম মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক। ছবি: সংগৃহীত

অধ্যাপক আবুল কাশেম:

রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া জায়গাটি প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্যের অধিকারী।

প্রাচীন বাংলার সেন রাজবংশের প্রকৃত স্থাপয়িতা ( real founder) বিজয় সেন-এর রাজধানী ছিলো দেওপাড়ায়।

বিজয় সেন-এর সভাকবি উমাপতি ধর সেন বংশের প্রশস্তিসূক এক কাব্য লিখেছিলেন।

প্রস্তর গাত্রে খোদিত আকারে লিখিত এই কাব্য দেওপাড়া প্রশস্তি নামে ইতিহাসে সমৃদ্ধ।

১৯৭৩ সালের গেজেটে ৬২ নম্বরে Abdul Khaleque (Ex-navy)

এটিই সেন রাজবংশের ইতিহাস জানার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এই দেওপাড়া আবার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি দেওপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক বীর বিক্রম খেতাবের স্বীকৃতি পেয়েছেন।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারী করেছে। নৌবাহিনীর সদস্য আব্দুল খালেক মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৩ সালের গ্যালান্ট্রি এওয়ার্ড প্রদান সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে তাঁর নাম ছিলো (নম্বর ৬২)। কিন্তু ঠিকানা দেয়া ছিলো না।

২০০৪ সালের গেজেটে ১৩৭ নম্বরে নায়েক আব্দুল খালেক। ছবি: সংগৃহীত

আবার ২০০৪ সালের গেজেটেও তাঁর ঠিকানাবিহীন নাম ছিলো (নম্বর ১৩৭)। তিনি ১৯৭৩ সাল থেকে বীর বিক্রম হওয়া সত্বেও তাঁর স্বীকৃতি এবং সামাজিক মর্যাদা থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাসহ আব্দুল খালেককে বীরবিক্রম স্বীকৃতি

অবশেষে রাষ্ট্র আব্দুল খালেক বীর বিক্রমকে মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্বের স্বীকৃতি দিলো। আব্দুল খালেক বীর বিক্রমকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন! লেখাটি অধ্যাপক আবুল কাশেমের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

ফেসবুক স্টাটাস:

রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া জায়গাটি প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্যের অধিকারী। প্রাচীন…

Posted by Abul Kashem on Thursday, 25 June 2020

লেখক: অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

সোনালী সংবাদ/এইচ.এ

শর্টলিংকঃ