সাহেদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ ফেব্রুয়ারি

  • 7
    Shares

অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছালো।পরবর্তী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ এই তারিখ ধার্য করেন বলে জানিয়েছেন দুদকের আদালত কর্মকর্তা মো. জুলফিকার।

অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাপ্রাপ্ত সাহেদকে এদিন কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এনআরবি ব্যাংক থেকে হাসপাতালের নামে ঋণ বাবদ দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে গতবছরের ২২ জুলাই মামলা করেন দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ সংস্থার সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল হক।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন রিজেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিল, এনআরবি ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট (এসএমই ব্যাংকিং) ওয়াহিদ বিন আহমেদ ও করপোরেট হেড অফিসের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সোহানুর রহমান

মামলায় বলা হয়, আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এনআরবি ব্যাংক থেকে দুই ধাপে ২ কোটি ৪ লাখ ৯০ হাজার ৯৮৭ টাকা ঋণ নিয়েছেন। যার মধ্যে ৬৫ লাখ ৭৯ হাজার ২২৭ টাকা সুদ ও অন্যান্য চার্জ ধার্য কেটে রাখা হয়। তবে সুদসহ ব্যাংকের এক কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৫ আত্মসাৎ করা হয়।

অন্যদিকে পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাহেদসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ২৭ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দায়ের করেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

আসামিরা হলেন পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড (সাবেক দ‌্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) এর অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাশেদুল হক চিশতি, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ও রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিল।

মামলায় ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান করপোরেট শাখা থেকে এক কোটি টাকা (সুদ আসলসহ ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ