সাত মাস ধরে বন্ধ উত্তরা গণভবন

অনলাইন ডেস্ক: ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক নাটোরের উত্তরা গণভবন। করোনার কারণে বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানের পর্যটকদের ফিরতে হচ্ছে মনে কষ্ট নিয়ে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার প্রধান এই বিনোদন কেন্দ্রটি খোলার দাবি জানান তারা। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জেলা প্রশাসন।

নাটোর শহর থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তরে দিঘাপতিয়া এলাকায় স্থাপিত উত্তরা গণভবনটি প্রতিদিন শতশত পর্যটকে সরব থাকলেও এখন চিত্রটা উল্টো। করোনার কারণে ৭ মাস ধরে বন্ধ থাকায় এখানে সুনশান নীরবতা। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বাহক এই রাজবাড়িটি বন্ধ থাকায় দেখতে এসে কষ্ট নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন পর্যটকরা।

দর্শকরা ২০ টাকা টিকিটে গণভবন পরিদর্শন করতে পারতেন। গত ১৯ মার্চ থেকে বন্ধ থাকায় ৭ মাসে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

দেশি-বিদেশি মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য গাছসহ রাজবাড়িটির সৌন্দর্য্য মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের। প্রাণহীন উত্তরা গণভবনকে স্বাস্থ্যবিধি মেলে খুলে দেয়ার জন্য আহ্বান জানালেন কর্মকর্তা।

সহকারী ব্যবস্থাপক খায়রুল বাশার বলেন, জেলা প্রশাসককে আবেদন করব যেন উত্তরা গণভবন খুলে দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহরিয়াজ জানালেন গণভবনটি খুলে দিতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, আশা করছি খুব দ্রুতই এটা দর্শনার্থীদের জন্য এটা খুলে দিতে পারব।

১৭৩৪ সালে রাজা দয়ারাম রায় এই রাজবাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৭ সালে এটি গভর্নর হাউজ হিসেবে পরিচিতি পায়। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটিকে উত্তরা গণভবন ঘোষণা করেন। মন্ত্রী সভার বেশ কয়েকটি বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়।

সোনালী/আরআর

শর্টলিংকঃ