সাগর-র্বনি হত্যাকা-ের তদন্ত নিয়ে আশাবাদী নয় পরিবার

সোনালী ডেস্ক: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-র্বনি হত্যাকা-ের তদন্ত নিয়ে কোনো ধরনের নাটক নয়, প্রকৃত সত্য জানতে চায় তাদের পরিবার। গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টে মামলার খোঁজ-খবর নিতে এসে এসব কথা বলেন মেহের্বন র্বনির ভাই নওশের রোমান।
দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সমপ্রতি র‌্যাবের দেয়া অগ্রগতি প্রতিবেদনে দুই অপরিচিত ব্যক্তির ডিএনএর যে কথা উলেৱখ করা হয়েছে, সেটা র‌্যাব আগেও বলেছে। যার ফলে তদন্ত নিয়ে আশাবাদী নন তারা। তিনি বলেন, আমরা মামলার সঠিক তদন্ত এবং প্রকৃত হত্যাকারীদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের বিচারের দাবি জানাই। গত সোমবার এই হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের খন্দকার শফিকুল আলম হাইকোর্টের সংশিৱষ্ট শাখায় একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাগর-র্বনি হত্যাকা-ের ঘটনায় দুজন অপরিচিত যুবক জড়িত ছিল। সাগরের হাতে বাঁধা চাদর এবং র্বনির টি-শার্টে ওই দুই যুবকের ডিএনএ’র প্রমাণ মিলেছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করেছে র‌্যাব।
এদিকে র‌্যাবের দেয়া অগ্রগতি প্রতিবেদনের শুনানি আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী র‌্যাবের জমা দেয়া অগ্রগতি প্রতিবেদনের বিষয়ে আদালতকে অবহিত করেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত জানান, বিষয়টি বুধবার (আজ) শুনানির জন্য কার্যতালিকায় (কজলিস্টে) থাকবে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্র্বয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়াবাড়িতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহের্বন র্বনির ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায়। সাগর তখন মাছরাঙা টিভিতে আর র্বনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। হত্যাকা-ের সময় বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ। হত্যাকা- বে্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় এখন পর্যন্ত বিচারিক আদালতে ৭০ বারের বেশি পিছিয়েছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়। সব মিলিয়ে এ মামলায় মোট আটজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, সাইদ, মিন্টু, কামর্বল হাসান ওরফে অর্বণ, সাগর-র্বনির ভাড়া বাসার নিরাপত্তা প্রহরী এনামুল, পলাশ র্বদ্র পাল এবং নিহত দম্পতির বন্ধু তানভীর রহমান। তাদের মধ্যে প্রথম পাঁচজনই মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসক নারায়ণ চন্দ্র হত্যার ঘটনায় র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেফতার হন। প্রথম পাঁচজন ও নিরাপত্তারক্ষী এনামুল এখনও এই মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

শর্টলিংকঃ