শেকৃবিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়ায় রাবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা

  • 20
    Shares

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: শেরেবাংলা বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শিক্ষক সমিতি নিন্দা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ফারুকী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি শেরবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদটি শূন্য হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি পত্রের মাধ্যমে পরবর্তী উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রেজাউল করিমকে উপাচার্যের দায়িত্ব পালনের আদেশ দেওয়া হয়। তবে রেজাউল করিম শেরবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নন, তিনি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা, স্বায়ত্তশাসনের মর্মবাণী অনুযায়ী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পদগুলোতে শিক্ষকদের আসীন করাই প্রত্যাশিত ও স্বাভাবিক। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত একজন কর্মকর্তাকে উপাচার্যের দায়িত্ব (রুটিন দায়িত্ব) দেওয়াতে আমরা বিস্মিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার আগে থেকেই যথাসময়ে পদগুলো পূরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ঘটনা ইতিপূর্বেও ঘটেছে যা দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের চরম অবজ্ঞা এবং দায়িত্বহীনতার পরিচয় বলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি মনে করে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত প্রায় এক দশকে শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত প্রভূত অগ্রগতি হয়েছে এবং এখনো তা চলমান। কিন্তু এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাঝে-মধ্যে উপাচার্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার ঘটনা ঘটছে। ফলে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে তা-ই নয়, শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রগতিও ব্যাহত হচ্ছে। কখনো কখনো শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রাপ্তির বিষয়টিও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে।

শিক্ষক সমিতির নেতারা বলেন, আমরা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করতে সংশ্লিষ্টরা আরো উদ্যোগী হবেন বলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আশা করে।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ