শুধু চীনে যাওয়া-আসা করবে পেৱন

এফএনএস: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পেৱন যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে চীনের পরিসি’তি ‘স্বাভাবিক’ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে দেশটির সঙ্গে পেৱন চলাচল চালু রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুধু চীন-বাংলাদেশ র্বটে চলাচলকারী উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণ করবে।
প্রথম দিকে দশটি দেশের সঙ্গে পেৱন চলাচল বন্ধ রাখার পর শুধু থাইল্যান্ড, চীন, হংকং ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে পেৱন চলাচল সচল রাখে বাংলাদেশ। পরে হংকং ও থাইল্যান্ড র্বটে চলাচলকারী থাই এয়ারওয়েজ ও ক্যাথে প্যাসিফিক যাত্রী সঙ্কটে ফ্লাইট কার্যক্রম স’গিত রেখেছে। শেষে ছিল কেবল যুক্তরাজ্য ও চীন। এরইমধ্যে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ও লন্ডন র্বটে ফ্লাইট পরিচালনা স’গিত করে দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফলে গতকাল রোববার থেকে চীন ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পেৱন চলাচল থাকবে না।
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২১ মার্চ রাত ১২টা থেকে চীন, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড ও হংকং বাদে সব আন্তর্জাতিক র্বটের ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ থেকে চীনে বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, চায়না ইস্টার্ন ও চায়না সাউদার্ন ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। তবে যাত্রী সঙ্কটের কারণে সপ্তাহে এই তিন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সংখ্যা ১৮ থেকে তিনে নেমে এসেছে।
চায়না সাউদার্ন ও চায়না ইস্টার্ন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে গুয়াংজু র্বটে চলাচলকারী চায়না সাউদার্ন এখন থেকে বৃহস্পতি ও শনিবার অর্থাৎ সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চালাবে। চায়না ইস্টার্ন ঢাকা-কুনমিং র্বটে একটি অর্থাৎ প্রতি বৃহস্পতিবার ফ্লাইট চালিয়ে যাবে। আগে এই র্বটে চায়না ইস্টার্নের সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চললেও ১০ দিনে তাদের পাঁচটি ফ্লাইটের মধ্যে চারটিই যাত্রী সঙ্কটের কারণে বাতিল হয়েছে। এছাড়া চীন র্বটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স আগে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট চালিয়ে এলেও এখন তারা সপ্তাহে একদিন অর্থাৎ প্রতি গতকাল রোববার গুয়াংজু র্বটে ফ্লাইট চালাবে।
ইউএস-বাংলা গ্র্বপের মহাব্যবস’াপক (জিএম-পিআর) কামর্বল ইসলাম জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ২৯ মার্চ থেকে কেবল প্রতি রোববার ঢাকা-গুয়াংজু র্বটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। আগে এই র্বটে ইউএস-বাংলা সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করতো। করোনার প্রভাবে এই সংখ্যা কমিয়ে তিনে আনা হয়েছিল। এই সংখ্যা বর্তমানে এক করা হয়েছে।
সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর দেশে কেবল চার দেশের এয়ারলাইন্সগুলোই চলাচল করে। তবে ঢাকা-ব্যাংকক র্বটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, থাই লায়ন এয়ার আগে থেকেই ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রেখেছিল। সর্বশেষ ২৬ মার্চ ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করে থাই এয়ারওয়েজ।
যোগাযোগ করা হলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, যদি চলমান কোনো ফ্লাইটে (চীন) ঝুঁকি মনে হয় তাহলে আমরা সেই ফ্লাইটও বন্ধের সিদ্ধান্ত নেবো।

শর্টলিংকঃ