লঞ্চ দুর্ঘটনায় আর কত মৃত্যু?

  • 162
    Shares

ড. মো. হাসিবুল আলম প্রধান:

করোনার ভয়াবহ দুর্যোগের মাঝেই গত ২৯ জুন সোমবার বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় আবারও ঝড়ে পড়লো ৩৪টি তাজা প্রাণ, স্বজন হারানোর বেদনায় মুন্সীগঞ্জের অনেক পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। বুড়িগঙ্গা নদীতে সংঘটিত এই লঞ্চ দুর্ঘটনা নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

লঞ্চ দুর্ঘটনার সময় সদরঘাটের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মর্নিং বার্ড লঞ্চটি যখন ময়ূর-২ লঞ্চকে ক্রস করছিল, ঠিক তখনই ময়ূর-২ পেছনে কোনো কিছু না দেখে জোরে পেছনের দিকে ব্যাক করছিল।

সে সময় ময়ূর-২ এর ধাক্কায় মর্নিং বার্ড লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। বাংলাদেশ সরকারের নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সিসি টিভির ফুটেজ দেখে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনার পর অন্যবারের ন্যায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। এছাড়া ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’ ঘটানোর অভিযোগ এনে ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক, মাস্টারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করে নৌ পুলিশ। কিন্তু শাস্তি হবে কি ঘাতকের এবং এই দুর্ঘটনায় জড়িত অন্যদের?

অতীতে এধরনের অনেক নৌ দুর্ঘটনা ও অসংখ্য প্রাণহানি ঘটলেও তেমন কোনো বিচার হয়নি, তাই এবারও বিচার নিয়ে প্রশ্ন সাধারণ জনমনে।

ইতোমধ্যে গত ৭ জুলাই বুড়িগঙ্গার লঞ্চ দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে এবং বুড়িগঙ্গার নদীতে লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পেছনে নয়টি কারণ চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে ২০ দফা সুপারিশ করেছে নৌ মন্ত্রণালয়ের তদস্ত কমিটি।

তবে ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় এমএল মর্নিং সান বুড়িগঙ্গায় ডুবে যাওয়ার ওই ঘটনা তদন্ত করে তদন্ত কমিটি কার কী দায় পেয়েছে, তা প্রকাশ করেননি নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বাংলাদেশে প্রতিবছর বড় বড় লঞ্চ দুর্ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে, মারাও যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। সড়ক দুর্ঘটনার মত লঞ্চ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও জড়িতদের শাস্তি না প্রদানের সংস্কৃতি লক্ষণীয়। বিচার না হওয়ায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় লাশের মিছিল প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে।

সময় টিভি বাংলা সংস্করণ ২৯ জুন ২০২০ এর সূত্র মতে, গত ২০ বছরে প্রায় ৭শ লঞ্চডুবি ও ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক ঘটেই চলেছে লঞ্চডুবির ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় শতশত প্রাণহানী হলেও লঞ্চডুবি রোধে নেয়া হয় না কার্যকর কোনো ব্যবস্থা।

ফিটনেস না থাকা, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করাসহ কোনো ঘটনাতেই বিচার না হওয়ায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকে।

বাংলাদেশে লঞ্চ দুর্ঘটনার ইতিহাসে প্রথম সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে ২০০৩ সালের ৮ জুলাই চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় নিমজ্জিত এমবি নাসরিন-১ লঞ্চ ডুবির মধ্য দিয়ে। এ লঞ্চ দুর্ঘটায় নিহত হন ১১০জন, আর নিখোঁজ হন ১৯৯জন।

অতিরিক্ত যাত্রী ও মালবোঝাই করার কারণে পানির তোড়ে নাসরিন-১-এর তলা ফেটে গেলে এটি ডুবে যায়। ২০১৪ সালের ৪ আগষ্ট স্মরণকালের আরও ভয়াবহ লঞ্চডুবি ঘটে পদ্মার বুকে।

মাওয়ার কাছে পদ্মায় গত ৪ আগস্ট পিনাক-৬ ডুবে যায়। ঈদের পর হওয়ায় লঞ্চে ছিলো ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী। ভরা বর্ষার উত্তাল পদ্মায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় পিনাক ৬। এ দুর্ঘটনায় ৪৯ যাত্রীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। সরকারী হিসেবে নিখোঁজ রয়েছে ৬১ যাত্রী।

পিনাক ডুবির মাত্র তিন মাস আগেই মেঘনাতেও লঞ্চ ডুবে মারা যান শতাধিক মানুষ। পিনাক-৬ দুর্ঘটার আগে বড় লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটে ২০১২ সালে। মুন্সীগঞ্জের মেঘনায় নিমজ্জিত হয় এমভি শরীয়তপুর-১। এতে ১৪৭জন যাত্রী প্রাণ হারান। নিখোঁজ ছিলেন আরও অনেকে।

২০১৪ সালে মেঘনা নদীতে এমভি মিরাজ-৪ নামের যে লঞ্চটি ডুবে যায়, তাতে যাত্রী ছিল আড়াইশর বেশি৷ প্রায় ৫০জন যাত্রী জীবিত উদ্ধার হয়েছে, আর লাশ উদ্ধার হয়েছে ৫৪জনের৷ ছিল অনেক যাত্রী নিখোঁজ।

২০০২ সালের এপ্রিলে ঢাকা-ভোলা নৌপথে এমভি সালাউদ্দিন-২ লঞ্চ মেঘনা নদীর ষাটনল এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এতে সাড়ে তিন শতাধিক লোক প্রাণ হারায়।

ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন, চালকদের অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতা, লঞ্চের নকশায় সমস্যা, লঞ্চের ফিটনেস তদারকির অভাব ইত্যাদি কারণে লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আর এসব বিষয় নিয়ে কথা ওঠে কেবল তখনই, যখন কোনো লঞ্চডুবিতে শতশত মানুষের মৃত্যু ঘটে।

অন্যসময় এ বিষয়গুলো দেখভাল করার কেউ থাকে না। দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে গত কয়েক বছরে যতগুলো লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে, তার প্রায় প্রতিটির কারণ হিসেবেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি (কখনও দুই বা তিনগুণ) যাত্রী পরিবহন করা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে।

বাংলাদেশে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০ হাজারেরও বেশি নৌযান রয়েছে, যার মধ্যে ফিটনেস সার্টিফিকেট রয়েছে মাত্র ৯ হাজারের। সরকারি হিসেবেই বাংলাদেশের মানুষের ৩৫ ভাগ যাতায়াতই সম্পন্ন হয় নৌপথে। আর এই নৌপথেই লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রতিবছর মারা যায় শতশত মানুষ।

আর এ মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই বেড়ে চলছে এ কারণে যে, লঞ্চডুবির ঘটনায় কারও কোনো তেমন শাস্তি হয় না৷ লঞ্চ দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে এ দেশে পর্যাপ্ত আধুনিক আইন-কানুন নেই৷ লঞ্চ দুর্ঘটনার পর দোষী সাব্যস্ত হলে বর্তমান প্রচলিত আইনে মালিক, চালক কিংবা জরিপকারীর বিরুদ্ধে কিছু আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

যদিও এধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নজির খুবই কম এবং শাস্তির মাত্রাও হাস্যকর । ২০০৫ সালে আনা সংশোধনীর পর অভ্যন্তরী নৌ চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ (ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স) অনুযায়ী অধ্যাদেশের ৭০ ধারায় অসদাচরণ ইত্যাদির কারণে জাহাজ বিপদাপন্ন করার শাস্তি বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে।

ধারাটির (২) অনুসারে যেখানে কোনো অভ্যন্তরীণ নৌযান দুর্ঘটনার ফলে প্রাণহানি বা কোনো ব্যক্তি আহত বা নৌযানের বা অন্য কোনো নৌযানের সম্পদ নষ্ট হয়ে থাকে এবং এ ধরনের কোনো নৌযানের ত্রুটি বা অভ্যন্তরীণ নৌযানের মালিক, মাস্টার বা কোনো কর্মকর্তা বা ক্রু সদস্যের অযোগ্যতা বা অসদাচরণ বা কোনো আইন ভঙ্গের দরুন ঘটে থাকে, তবে ওই নৌযানের মালিক বা অন্য কোনো কর্মকর্তা বা ক্রু সদস্য বা তাঁদের প্রত্যেকেই পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে-ই দণ্ডিত হতে পারেন।

এটাই হচ্ছে এই অধ্যাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি। লঞ্চ দুর্ঘটনার মামলাগুলো সাধারণত: নৌ আদালতে দায়ের করা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পুলিশ দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনেও মামলা করতে পারে। ফিটনেস ছাড়া লঞ্চ চলবে না এটা আইন।

কিন্তু দেখা যায়, সমস্ত লঞ্চই ফিটনেস সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে। অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতির মাধ্যমে লঞ্চ মালিক তারা কোনো না কোনোভাবে ফিটনেস সনদ বা একটা টোকেন নিয়ে নেয়।

লঞ্চ দুর্ঘটনায় অপরাধীদের যেমন শাস্তি হয় না, তেমনি প্রচলিত আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বঞ্চিত হয় ভিকটিমরা। কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ পায়না বললেই চলে।

দুর্ঘটনার পর যে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দেওয়া হয়, তা খুবই অপ্রতুল, উপরন্তু সেই টাকা কতজন পান তা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য বাংলাদেশে প্রথমবারের মত খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলা নাসরিন-১ লঞ্চ দুর্ঘটনার পর ফাইল করা হয়েছিল মানবাধিকার সংস্থা ব্লাস্টের পক্ষ থেকে।

২০০৩ সালের ৮ জুলাই এমভি নাসরিন-১ লঞ্চ ডুবে গেলে ২০০৪ সালে ব্লাস্ট প্রদেয় ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় দাবী করে ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষে ঢাকার ৩য় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করে। এই কেসে ১২১জনের মুত্যুর কথা উল্লেখ করে ২৮.৯৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়।

২০১২ সালে মামলাটি ঢাকার সপ্তম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে পাঠানা হয় এবং ২০১৬ সালের ২ ফেব্রæয়ারি মাননীয় আদালত রায়ে ভিকটিমদেরকে ১৭.১১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদানের নির্দেশ দেয়। ২০১৬ সালের ২৪ অক্টোবর বিআইডব্লিউটিএ এবং বিবাদীরা এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপীল করে।

২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগ নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখে ২০০৩ সালে সংঘটিত এনভি নাসরিন-১ লঞ্চের দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদের পরিবারগুলোকে এবং আহতদের ১৭.১১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদানের জন্য সরকারকে নির্দেশ দেয়।

পরে বিবাদীরা সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে আপীল করলে মামলাটি এখন চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। মামলাটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হলে এবং ভিকটিমরা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পেলে এটি আইনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নজীর হয়ে থাকতো এবং সরকার ভবিষ্যতে লঞ্চ দুর্ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হতো।

লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রতিবছর শতশত মানুষের মৃত্যু বন্ধ করতে হলে প্রথমেই কঠোর শাস্তির বিধান করা উচিত। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া লঞ্চ চালানো ও লঞ্চের নকশায় সমস্যা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনে শাস্তির বিধান খুবই নগন্য।

এজন্য সর্বপ্রথম অভ্যন্তরী নৌ চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ (ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স) এর সংশোধন এবং আধুনিকায়ন করতে হবে । ২০০৫ সালে সংশোধনী আনার পর আর এ অধ্যাদেশটিতে হাত দেওয়া হয়নি।

সেই সঙ্গে সঠিক নকশা অনুযায়ী লঞ্চ নির্মাণ, লঞ্চের ফিটনেস নিয়মিত তদারকি ও চালক-সহযোগীদের দক্ষতা-অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এই পুরো খাতটির ওপর কড়া নজরদারির ব্যবস্থা অবশ্যই করতে হবে৷ লঞ্চ দুর্ঘটনার পর যে তদন্ত কমিটিগুলো হয়, সেগুলোর প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আনতে হবে এবং সরকারকে সুপারিশমালাগুলো যথাযথভাবে কার্যকর করতে হবে।

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ দুর্ঘটনার জমাকৃত তদন্ত প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা সদরঘাটের কাছে নৌযানের বার্থিং বন্ধ করা, খেয়াঘাট সরিয়ে নেওয়া, ভয়েজ ডিক্লারেশন বাধ্যতামূলক করা, নৌযানের গতি সীমা নির্ধারণ, পুরনো ধাঁচের লঞ্চ তুলে দেওয়া, লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত টিকেট বিক্রি বন্ধ করা এবং শাস্তি বাড়িয়ে নৌ আইন যুগোপযোগী করা।

অতীতের মত যেন চাপা না পড়ে যায়, এই সুপারিশগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। নদীপথে আর কোন লঞ্চ দুর্ঘটনা নয়, লঞ্চ দুর্ঘটনায় বন্ধ হোক মানুষের মৃত্যুর মিছিল।

আমাদের নদীমার্তৃক সবজু-শ্যামল এই বাংলাদেশের মানুষ নির্ভয়ে নিরাপদে যেন নৌপথে চলাচল করতে পারে এই ব্যাপারে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জোর দাবী জানাচ্ছি।

লেখক: প্রফেসর, আইন বিভাগ ও পরিচালক, শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ।

সোনালী সংবাদ/এইচ.এ

শর্টলিংকঃ