রোগির প্রেসক্রিপশন আটকে রেখে জোর করে পরীক্ষার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: নগরীর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগির প্রেসক্রিপশন আটকিয়ে রেখে জোর করে পরীক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর লক্ষীপুর এলাকার শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

এ ঘটনায় রোগির ভাই গণমাধ্যম কর্মি রায়হানুল ইসলাম  জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ে অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি লিখেন, গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তার বোন আফরোজা খাতুনকে নিয়ে কিডনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মনোয়ারুল ইসলামের কাছে যান। সেখানে ডাক্তার এক হাজার টাকা ফি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আফরোজার চিকিৎসা দেন। শেষে বেশকিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য ব্যবস্থাপত্র দেন।

এরপর রায়হানুল ওই ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো বাইরের অন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করাতে চান। কিন্তু শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মিরা তাকে যেতে বাধা দেয়। এসময় রোগির প্রেসক্রিপশন আটকিয়ে রাখে।

ব্যবস্থাপক হুমায়ন কবির তাকে জানান, ‘তাদের মালিকের নির্দেশ আছে সব পরীক্ষা সেখানেই করাতে হবে। যারা করাতে চাইবে না, তাদের কোনো কাগজপত্র দেয়া হবে না।’

অভিযোগকারী রায়হানুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও অতিরিক্ত টাকা নিয়ে রোগী দেখছেন। আবার ওই নাম সর্বস্ব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে রোগীকে জিম্মি করা হচ্ছে। সেখানে পরীক্ষার মানও ভালো না। তাই আমি অন্য কোথাও পরীক্ষা করাতে চাইলে চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন আটকে দিয়ে লাঞ্ছিতও করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য শাপলা ডায়াগস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক হুমায়ন কবিরকে ফোন দিলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ