রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট নির্বাচনের নিদের্শনা কেন দেওয়া হবে না: হাইকোর্ট

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেটে রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট নির্বাচন করার কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এ মর্মে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে নির্বাচন না করার ব্যর্থতাকে কেন বিধি বহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার বিচারপতি মো.মজিবুর রহমান মিয়া ও মো.কামরুল ইসলাম মোল্লা’র সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এর রুল জারি করেন।

এর আগে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে চ্যালেঞ্জ করে রাকসু সাবেক ভিপি রাগিব হাসান মুন্নাসহ সাবেক চার শিক্ষার্থী রিট করেন। রিটকারীদের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী আমিনুল হক হেলাল ও আইনজীবী নাজিম মৃধা।

আদালতের নির্দেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী নাজিম মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মহামান্য আদালত অন্তবর্তীকালীন আদশে হিসেবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েটদের তালিকা হালনাগাদের জন্য রাবি উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

রিটকারী চার শিক্ষার্থী হলেন রাকসু সাবেক ভিপি রাগিব হাসান মুন্না, সাবেক সিনেট সদস্য আইয়ুব আলী ও সাদাকাত হোসেন খান বুলবুল এবং সাবেক ছাত্র মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।

রাবিগ হাসান মুন্না বলেন, আমরা ২০১৯ সালের নভেম্বরে রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েটের তালিকা হালনাগাদ ও নির্বাচনের দাবি জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেছিলাম। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাই নি। পরে আমরা আইনি নোর্টিশ পাঠিয়েছি। সেক্ষেত্রেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে আমারা হাইকোর্টে রিট করি। রিট শুনানি শেষে আদালত আজ এ রুল জারি করে।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, আমরা এখানো কোনো নির্দেশনা পাইনি। নির্দেশনা পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। যার মেয়াদ শেষ হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর প্রায় দুই যুগ নির্বাচন হয় নি।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ