রাজশাহী হবে নিরাপত্তার নগরী, পুলিশ কমিশনারের ঘোষণা

  • 176
    Shares


স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক বলেছেন, রাজশাহীকে তিনি ‘নিরাপত্তার নগরী’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। আগামী ২৬ মার্চ মহান বিজয় দিবসেই তিনি রাজশাহীকে নিরাপত্তার নগরী হিসেবে ঘোষণা দিতে চান। এ জন্য যা করা দারকার তাই করা হচ্ছে।

রোববার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালীতে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আরএমপি কমিশনারের সহযোগিতায় মাসকাটাদীঘি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাটাখালী পৌরসভা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুশৃঙ্খলভাবে পৌর এলাকার এক হাজার নারী-পুরুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার বলেন, ইতোমধ্যে রাজশাহী মহানগরকে কিশোর গ্যাং মুক্ত করেছি। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এখন মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। অপরাধীদের শনাক্তে শহরজুড়ে সিসি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। রাজশাহীকে আমি নিরাপত্তার নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসেই সেটা ঘোষণা দিতে চাই। এই শহরে কোন মাদক, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসী থাকবে না। প্রতিটি মানুষ এর সুফল পাবে।

যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কেউ মাদকের সঙ্গে জড়াবেন না। প্রয়োজনে আমরা আপনাদের সাধ্যমতো পুনর্বাসন করব। কিন্তু এরপরও মাদকে সম্পৃক্ত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তখন বাকিটা জীবন জেলেই কাটাতে হবে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, আমরা পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। এ কারণে পুলিশের মহাপরিদর্শকের নির্দেশনায় বিট পুলিশিং সেবা চালু করা হয়েছে। রাজশাহীজুড়েও বিট পুলিশিং সেবা চালু রয়েছে। ফলে মানুষ সহজে পুলিশের সেবা পাচ্ছেন। রাজশাহীকে নিরাপত্তার নগরী হিসেবে ঘোষণা দেয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা হবে। অপরাধ করে কেউ পালিয়েও থাকতে পারবে না। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে শনাক্ত করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী। তিনি বলেন, পুলিশ কমিশনারের সহায়তায় সর্বোচ্চ ভাল মানের কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। আমরা লোকদেখানো রাজনীতি করি না। তিনি বলেন, আমরা কাটাখালীকে মাদকমুক্ত করতে চাই। আমাদের এলাকায় কেউ মাদক সেবন করতে আসবেন এটা হবে না। পৌরসভাকে মাদকমুক্ত করতে আমি পুলিশকে সহায়তা করব।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আরএমপির মতিহার জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার বিভূতি ভূষণ বানার্জী, শাহমখদুম জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মতিহার জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার একরামুল হক, পুলিশ কমিশনারের স্টাফ অফিসার সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসান, কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

সোনালী/আরআর

শর্টলিংকঃ