রাজশাহী রেশম কারখানার সব লুম চালু করতে কমিটি

  • 13
    Shares

অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী রেশম কারখানার সবগুলো লুম চালু করতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের ষষ্ঠ সভায় এ কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। বুধবার (২৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এবং রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফজলে হোসেন বাদশা।

সরকার রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে বলে এ সভায় জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি বলেন, এর ফলে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, দারিদ্র্য বিমোচন হবে এবং রেশম চাষিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, রেশম শিল্প এবং রেশম চাষিদের উন্নয়ন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন এক হাজার বিঘা জমিতে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ সম্প্রসারণ, রেশম গুটি ক্রয়, রেশম চাষিদের উন্নত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি প্রদানে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে রেশম চাষিদের জীবনমান উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় ১৯৬১ সালে সাড়ে ১৫ বিঘা জমির ওপর স্থাপিত হয় রাজশাহী রেশম কারখানা। ২০০২ সালে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকার কারখানাটি বন্ধ করে দেয়। সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা রেশম বোর্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে প্রথমবার দায়িত্ব পাওয়ার পর কারখানাটি চালুর উদ্যোগ নেন। তার প্রচেষ্টার ফলেই ২০১৮ সালে ৫টি লুম চালু করা হয়। বর্তমানে কারখানায় ১৯টি লুম চালু হয়েছে। সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা এখন কারখানার মোট ৬১টি লুমই চালুর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সোনালী/আরআর

শর্টলিংকঃ