রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ৯৫ জন

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ৯৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। অবশ্য তাদের কারোরই শরীরে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের উপসর্গ পাওয়া যায়নি। সতর্কতামূলকভাবেই তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গতকাল রোববার শুধু রাজশাহী জেলায় চার জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া নওগাঁয় ২৮, বগুড়ায় ২০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭, পাবনায় ১০, নাটোরে ১১, জয়পুরহাটে ৪ এবং সিরাজগঞ্জে ১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ১৪ দিন তারা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক গোপেন্দ্রনাথ আচার্য জানান, যাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তারা সবাই গত কয়েক দিনের মধ্যে বিদেশ থেকে এসেছেন। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ-খবর পেয়ে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারা সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন। এ পর্যন্ত কারও মাঝে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা যায়নি।
তিনি জানান, কারও শরীরে করোনার উপসর্গ পাওয়া গেলে তাকে আর বাড়িতে রাখা হবে না। তাদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের উপ-পরিচালক সাইফুল ফেরদৌস জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রয়োজন পড়লে রাজশাহী শহরের তিনটি স্টেডিয়ামকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
স্টেডিয়ামগুলো হচ্ছে মহানগরীর সপুরায় জেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম, তেরোখাদিয়ায় অবস্থিত শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও তার পাশের মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স। এসব স্টেডিয়ামে করোনার সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।
এছাড়া কেউ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য সংক্রামণ ব্যাধি হাসপাতালসহ (আইডি) সাতটি সেবাকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রামেক হাসপাতালে ইতোমধ্যেই পাঁচ বেডের করোনা ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে হাসপাতালে আইসোলেশনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ