রাজশাহী-চাঁপাইয়ে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু, ক্রেতাদের ভিড়

সোনালী ডেস্ক: মুজিবশতবর্ষ ও আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে কয়েকটি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। পণ্যের মান ভালো হওয়ায় বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।
টিসিবি রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান প্রতাপ কুমার জানান, মহানগরীতে ১০টি স্থানে ১০টি ট্রাকে গত মঙ্গলবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু করেছে।
প্রথম অবস্থায় চিনি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। চিনির বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ টাকা, সয়াবিন তেল ৮০ টাকা, আর মসুর ডাল ৫০ টাকা ও পেঁয়াজ ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজানের প্রাক্কালে আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এই ৪টি পণ্যের সাথে ছোলা ও খেজুর বিক্রিও শুরু করবে টিসিবি।
টিসিবি’র এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এবার পণ্যগুলোর মান ভালো এবং দাম বাজারের চেয়ে কম। এর ফলে বাজারে টিসিবি পণ্যের চাহিদা রয়েছে। ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। এরফলে বাজারে এই পণ্যগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করছেন ক্রেতারা।
এদিকে, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবি’র উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে চিনি, সোয়াবিন তেল, মশুর ডাল, পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। এতে করে ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গতকাল বুধবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ও বাতেন খাঁর মোড় এলাকায় এসব পণ্য সামগ্রী বিক্রি শুরু হয়েছে।
জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক বলেন, রমজানসহ বছরের অন্য সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকার ভর্ভুকি দিয়ে এসব পণ্য সামগ্রী ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। যাতে ভোক্তাদের বাড়তি খরচ গুণতে না হয়। টিসিবি’র ডিলারের মাধ্যমে চিনি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতিলিটার ৮০ টাকা, মশুর ডাল প্রতিকেজি ৫০ টাকা ও পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৩৫ টাকা দরে বিক্রয় করা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন স্থানে এসব পণ্য বিক্রি অব্যাহত রাখা হবে।
টিসিবি’র ডিলার মোশাররফ হোসেন জানান, লাইনে দাঁড়িয়ে একজন ভোক্তা ২ কেজি চিনি, ২ ও ৫ লিটার তেল, মশুর ডাল এক কেজি ও পেঁয়াজ ৩ কেজি করে ক্রয় করতে পারবেন। টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বিক্রি শুরু হওয়ায় ভোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সরকার এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

শর্টলিংকঃ