রাজশাহীর পাটিসাপটা পিঠাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ব্র্যান্ডিং করতে কাজ করবো

স্টাফ রিপোর্টার: সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য মানে পিঠা পার্বণ। এই ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায় সে জন্যই উৎসবের আয়োজন।
তিনি গতকাল সোমবার বিকেলে নগর ভবনের গ্রিন প্লাজায় বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় পিঠা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী পাটিসাপটা পিঠাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি এবং ব্র্যান্ডিং করার ব্যাপারে কাজ করবো। আগামীতে যাতে রাজশাহীতে প্রতিবছর স্থানীয়ভাবে পিঠা উৎসব আয়োজন হয়, তাতে সহযোগিতা করবো।
প্রতিমন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন। এর আগে, পরিবেশিত হয় দলীয় নৃত্য।
‘বাঙালির ঐতিহ্য পিঠা পার্বণ’ শিরোনামে এই পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমাজসেবী শাহীন আকতার রেণী।
উৎসবের উদ্বোধক বলেন, পদ্মাপাড়ের রাজশাহীতে মুজিববর্ষের প্রাক্কালে এই উৎসবের আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সংস্কৃতি চর্চাকে এগিয়ে নিতে রাজশাহীর নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্যব্যক্তিত্ব ম. হামিদ। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ রাজশাহী বিভাগের আহŸায়ক অধ্যাপক মলয় ভৌমিক। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব কামার উল্লাহ সরকার। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ এই উৎসবের আয়োজন করেছে। এতে পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
পিঠা উৎসবে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে অংশ নেওয়া ২৪টি স্টল বসেছে। আগামী ২০ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

শর্টলিংকঃ