রাজশাহীতে নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে জরুরি সভা

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য, মজুত ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির খোন্দকার সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় করোনাভাইরাসের কারণে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় দেশে অহেতুক নিত্যপণ্যের দাম যেন বৃদ্ধি না পায়, ব্যবসায়ীরা যেন অতিরিক্ত পণ্যের মজুত গড়ে না তোলেন এবং জনগণের মাঝে যেন অতিরিক্ত পণ্য ক্রয়ের প্রবণতা তৈরি না হয়- এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। রাজশাহী বিভাগে বর্তমানে ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কেউ মজুত করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ যদি অতিরিক্ত মজুত করেন অথবা পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করেন তাহলে আমরা কঠোর হব। তবে ব্যবসায়ীদের প্রতি জ্ঞাতসারে কোন অন্যায় করা হবে না।
তিনি বলেন, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে এ বিষয়ে মনিটরিং টিম গঠন ও কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকসহ মনিটরিং টিমের সাথে যোগাযোগ করা যাবে। বিভাগীয় কমিশনার নিত্যপণ্যের কোন মজুতদারি না করার জন্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেন।
কমিশনার বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ পরিস্থিতি উত্তোরণ করতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি জনগণকে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান। ব্যবসায়ী নেতারাও সভায় আশ^স্ত করেন যে, রাজশাহীতে চালসহ নিত্যপণ্যের যথেষ্ট পরিমাণ মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনার কোন দরকার নেই।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) একেএম হাফিজ আক্তার, নগর পুলিশের কমিশনার হুমায়ুন কবির, জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আফরাজুর রহমান, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহসভাপতি মো. মাসুদুর রহমান রিংকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শর্টলিংকঃ