রাজশাহীতে তিনজনের আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে দুই ছাত্রীসহ তিনজন আত্মহত্যা করেছেন। এদের মধ্যে একজন কীটনাশক পান করেছে। অন্য দুইজন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার রাজশাহী মহানগরী এবং পুঠিয়া ও বাঘা উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে। পুুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করেছে।
গতকাল বুধবার নগরীর উপশহর এলাকার একটি বাড়ি থেকে শামিমা আক্তার (২৪) নামে এক ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার বোন শানোয়ারা খাতুন বলেন, শামিমা আক্তার নওদাপাড়ার ইসলামি ব্যাংক নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি বাগমারার হামিকুৎসা এলাকায়। তিনি উপশহর এলাকার এক নম্বর সেক্টরের ১৬৫/বি নম্বর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন, ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শামিমা আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে পুঠিয়া প্রতিনিধি জানান, বোরকা কিনে না দেয়ায় পরিবারের ওপর অভিমান করে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে দশম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রী। তার নাম আলিমা খাতুন (১৩)। গত ২৫ শে ফেব্রæয়ারি আলিমা কীটনাশক পান করেছিল। গতকাল বিকাল ৫টার দিকে সে মারা যায়। সে উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের সরিষাবাড়ী গ্রামের আলমগীর হোসেনের মেয়ে। সরিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো আলিমা। সে অত্যন্ত মেধাবী ছিল।
এদিকে বাঘা প্রতিনিধি জানান, বাঘার কলিকগ্রামে তানভীর ইকবাল নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে এলাকার একটি আম বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বাবার নাম ইকবাল হোসেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তানভীর ইকবাল নিয়মিত গাঁজা-ইয়াবা সেবন করতো। এ জন্য তার বাবা-মার কাছে সে সবসময় টাকা চাইতো। একমাস আগে টাকা না পেয়ে কীটনাশক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। গতকাল সকালে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এর আগে সে মাদকসেবনের জন্য বাবার কাছে টাকা চেয়েছিল। টাকা না দেয়ায় সে আত্মহত্যা করে। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে। এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলাও হয়েছে।

শর্টলিংকঃ