যে কারণে ভেঙে যায় শহিদ কাপুর-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জুটির গভীর প্রেম!

  • 1
    Share
শহিদ কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

অনলাইন ডেস্ক:

২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘কামিনে’-র সেট থেকেই তাঁদের সম্পর্কের সূত্রপাত। এই ফিল্মে একে অপরের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তাঁরা।

এর পর ‘তেরি মেরি কাহানি’-তেও একসঙ্গে দেখা যায় দু’জনকে। এটাই ছিল তাঁদের একসঙ্গে করা শেষ ফিল্ম। এই ফিল্মের পর তাঁদের ব্রেকআপও হয়।

শহিদের জীবনের সঙ্গে অনেক মহিলার নাম জড়িয়েছে। সোনাক্ষী সিন্‌হা, এষা দেওল, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, বিদ্যা বালন, করিনা কপূর…। তালিকাটা বেশ বড়।

তবে এঁদের মধ্যে যে দুটো সম্পর্ক নিয়ে শহিদ ভীষণ ভাবে সিরিয়াস ছিলেন তা হল প্রিয়ঙ্কা চোপড়া এবং করিনা কপূর। প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যদিও খুব কম সময়ের জন্য ছিল।

Shahid Kapoor wishes Priyanka Chopra on her engagement dgtl ...

কিন্তু তাঁদের এই সম্পর্ক অনেক বেশি চর্চায় এসেছিল। তাঁদের সম্পর্কের শুরু ২০০৯ সালে। ‘কামিনে’ ছবি করার সময়ই কাছাকাছি আসেন তাঁরা। তার পর থেকে তাঁদের মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেতে শুরু করে।

সম্পর্কটা নিয়ে সিরিয়াস হলেও দু’জনের ভাবনাচিন্তার খুব একটা মিলছিল না। শহিদ ছিলেন ভীষণ দায়িত্বশীল এবং প্রাইভেট পার্সন। অন্য দিকে প্রিয়ঙ্কা ছিলেন অত্যন্ত ক্যাসুয়াল এবং খোলামেলা।

bolly

২০১০ সালে প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার বাড়িতে আয়কর অফিসারদের তল্লাশি চলে। প্রিয়ঙ্কা সে সময় শাহিদকেই ফোন করেছিলেন। শাহিদও খুব দ্রুত তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন।

সেই থেকেই তাঁদের সম্পর্কটা সকলের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যায়। পরে শাহিদ এবং প্রিয়ঙ্কা দু’জনে এক সাক্ষাত্কারে সম্পর্কের কথা স্বীকারও করেছিলেন।

bolly

২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তেরি মেরি কাহানি’ ফিল্মের শুটিং চলছিল। সে সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরতে শুরু করে। সেটা ছিল ২০১১ সাল।

বলিউডে গুঞ্জন, এ সময় নাকি প্রিয়ঙ্কা বলিউডের অন্য এক জনপ্রিয় অভিনেতার ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ওই অভিনেতার ঘনিষ্ঠতা শহিদ কপূর মেনে নিতে পারছিলেন না।

bolly

শোনা যায়, সে সময় নাকি প্রিয়ঙ্কাকে ওই অভিনেতার সঙ্গে বেশি মেলামেশা করতেও মানা করেছিলেন শহিদ। কিন্তু প্রিয়ঙ্কা সে সবে কান দেননি। দু’জনের মধ্যে এই নিয়ে কথা কাটাকাটি হতে শুরু করে।

তার উপর প্রিয়ঙ্কার কেরিয়ারেও বড়সড় শিফট হতে শুরু করে। শহিদ তখও স্ট্রাগল করছিলেন, আর প্রিয়ঙ্কা দ্রুত সিঁড়ি বেড়ে উপরে উঠতে শুরু করে দেন।

bolly

দেশি গার্লের এই জনপ্রিয়তাও শাহিদ মেনে নিতে পারছিলেন না বলে মনে করেন অনেকে। এ সবের মাঝে দু’জনের মধ্যে অনেক দূরত্বও তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

তবে প্রিয়ঙ্কা এবং শাহিদ দু’জনেই সম্পর্কটাকে একটা শেষ সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন। ২০১১ সালের নভেম্বর নাগাদ তাঁরা একসঙ্গে ছুটি কাটাতে গোয়া যান।

bolly

কিন্তু সম্পর্কের সেই চিড় আর পুরোপুরি জোড়া লাগেনি। দু’জনেই বুঝতে পেরেছিলেন, এই সম্পর্কটাকে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। -আনন্দবাজার

সোনালী সংবাদ/এইচ.এ

শর্টলিংকঃ