মশার উপদ্রব আর কত?


পরিচ্ছন্ন নগরী বলে পরিচিত রাজশাহীতে মশার উপদ্রব বেড়েছে। বর্ষাশেষে এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। এ সময় নগরীর ড্রেন, ডোবা, নালায় জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের উপযুক্ত স্থান হয়ে ওঠে। তাছাড়া শহরতলি ও নিচু এলাকার জলাবদ্ধ পরিবেশও মশার উপদ্রব বৃদ্ধির সহায়ক। মশা নিধন কার্যক্রম না থাকায় নগরবাসীর অতিষ্ঠ অবস্থার কথা পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সাধারণত মুষলধারে বৃষ্টিতে মশা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। তাই বর্ষা শেষেই মশা নিধন কার্যক্রম শুরুর উপযুক্ত সময়। ডোবা, নালা, ড্রেনে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ওষুধ ছিটিয়ে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে আগের মতো এখন আর এমন কার্যক্রম চোখে পড়ে না। তাই অবাধ হয়ে উঠেছে মশার উপদ্রব।

নগরীর প্রতিটি পাড়া মহল্লার বাসাবাড়ি, কাঁচাবাজার, অফিস-আদালতে মশার কামড় থেকে বাঁচতে কয়েলের ব্যবহার চোখে পড়ার মত বেড়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলেও মশার হাত থেকে রক্ষা পেতে এটাই সাধারণের প্রধান ভরসা। এ ছাড়া মশা মারা ব্যাটের বিক্রিও বেড়েছে। তারপরও কেন নগর কর্তৃপক্ষের মশা নিধন কার্যক্রম নেই সে প্রশ্ন শোনার কেউ আছে বলে মনে হয় না।

এ বিষয়ে রাসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাফ কথা, নগরীতে মশা এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। তাই মশা নিয়ন্ত্রণের কোনো কর্মসূচি নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখা কর্তৃপক্ষের পুরানো অভ্যাস। তাই আগে থেকে প্রতিকারের পদক্ষেপ কমই দেখা যায়। সঙ্কট ঘনিয়ে আসলে শুরু হয় দৌড়- ঝাঁপ। মশার ক্ষেত্রে এমনটা দেখতে চায় না নগরবাসী।

মশার উপদ্রব কমাতে জরুরিভিত্তিতে কার্যক্রম শুরু করা দরকার। করোনা পরিস্থিতিতে বাসাবাড়িতে আটকে থাকা শিশু-বয়স্ক, নরনারীদের আর কত উপদ্রব সইতে হবে?

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ