- সোনালী সংবাদ - https://sonalisangbad.com -

ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো ছিল: ইসি সচিব

  • 10
    Shares

অনলাইন ডেস্ক: দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া দ্বিতীয় ধাপের ৬০টি পৌরসভা নির্বাচন ‘সুষ্ঠু ও সুন্দর’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। বলেছেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো ছিল। প্রচুর ভোটার উপস্থিতি ছিল। দুয়েকটি জায়গায় দুষ্কৃতিকারীরা অপচেষ্টা করেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে; এটা খুবই নগণ্য ঘটনা।’

শনিবার দিনভর ভোট শেষে সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আলমগীর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

দ্বিতীয় ধাপের ৬০ পৌরসভায় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, বিকাল ৪টায় ভোট শেষে কেন্দ্রে কেন্দ্রে গণণার কাজ চলছে। এখন ফল ঘোষণার অপেক্ষা। তবে, এরই মধ্যে বেশ কয়েক জায়গায় বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর বিজয়ের খবর পাওয়া গেছে।

আজ ৬০ পৌরসভার মধ্যে ২৯ পৌরসভায় ইভিএম এবং ৩১ পৌরসভায় ব্যালট পেপারে ভোট হয়েছে। ভোট চলাকালীন অনেক এলাকায় ভোট বর্জন, অনিয়ম, গোলযোগ ও প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এসেছে। তবে ইসি সচিব বলেন, ‘সব মিলিয়ে এবার পৌরসভায় সুষ্ঠু ও একটা সুন্দর নির্বাচন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ৬০ পৌরসভার মধ্যে দুয়েকটি কেন্দ্রে হয়েছে, স্থগিতও করা হয়েছে। দুষ্কৃতকারীদের এ ধরনের অপচেষ্টা থাকে ভোটকে বিতর্কিত করার জন্য, কিন্তু তারা সফল হয়নি। বোয়ালমারীতে একটি কেন্দ্রে ব্যালটবাক্স ছিনিয়ে নেওয়ার অপেচষ্টা করলে কেন্দ্রটি স্থগিত করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জেও একটি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করা হয়েছে।

তিনি জানান, এবার পৌরসভায় ইভিএমে সর্বোচ্চ ৮০% ভোট পড়ার তথ্য এসেছে আড়ানি পৌরসভায়। আর সর্বনিম্ন কুলিয়ারচরে ৫৫% ভোট পড়েছে। এছাড়া ব্যালট পেপারে বোয়ালমারীতে ৭৫% এবং দিনাজপুরে সর্বনিম্ন ১৫% ভোট পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে বিকালে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য ভোট গণণা শেষে আসবে।

এদিকে, দুপুরে সাভারের তিনটি কেন্দ্র ঘুরে এসে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার নির্বাচনকে ‘অংশগ্রহণমূলক’ বলা যায় না মন্তব্য করলেও ইসি সচিব তা মনে করছেন না। তিনি বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন করছে নির্বাচন কমিশন।’

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার একজন প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করা হয়। আর ৬০টি পৌরসভার ৫৬টিতে মেয়র পদে ভোট হয়। নারায়ণগঞ্জের তারাবো, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, পাবনার ভাঙুরা ও পিরোজপুরে মোট চারটি পৌরসভায় ভোটের আগেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তাই বাকি ৫২টিতে মেয়র পদে ভোট হয়।

গত ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশিন। ২৯টি পৌরসভায় ইভিএমে এবং বাকি ৩১টি পৌরসভায় কাগজের ব্যালটে ভোট হয়।

এই ধাপের নির্বাচনে মেয়র পদে ২১১ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে দুই হাজার ২৩২ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

সোনালী/এমই