ভিড় বাড়ছে বাজারে

স্টাফ রিপোর্টার: প্রয়োজনের তাগিদে করোনাভাইরাস ভীতির মধ্যেও বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসতে শুর্ব করেছে মানুষ। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে লোক সমাগম বাড়ছে। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর বাজার এবং পাড়া মহলৱায় জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মত। যদিও পুলিশ মাইকিং করে সকলকে সর্তক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পৰ থেকেও বাজারে দোকান পাট বন্ধ রাখতে কাজ করছে।
গত ২৬ তারিখ থেকে সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় রাজশাহী শহর ছিল অনেকটায় ফাঁকা। অটোরিকশা-রিকশাও ছিল কম । মানুষজন কাজ ছাড়া খুব একটা বের হননি বাড়ি থেকে। কিন’ অবস’া পাল্টে যাচ্ছে। শহরে মানুষের আনাগোনা বাড়ছে। শহরের তুলনায় গ্রামে বেশি সংখ্যায় ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে মানুষ। স্বাস’্য ঝুঁকি জেনেও প্রয়োজনের তাগিদেই মানুষ বেরিয়ে আসছে। এমনই মন্তব্য মানুষের। এদিকে গণমাধ্যম কর্মী, স্বাস’্যকর্মীসহ জর্বরি সেবাদানে নিয়োজিতরা রাস্তায় বেরিয়ে গন্তব্যে যেতে পরিবহন সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন।
গত ছয়দিনের তুলনায় নগরীতে গতকাল লোক সমাগম বেশি দেখা গেছে। মুদি দোকান এবং কাঁচাবাজারেও ছিল ভিড়। অনেক ক্রেতাকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য সামগ্রী ক্রয় করতে দেখা গেছে। মুদিব্যবসায়ী আইয়ুব জানান সংকট বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় যে ক্রেতা এক কেজি তেল কিনতো সে এখন পাঁচ কেজি তেল কিনছে। এমন ভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল পণ্যই বেশি কেনার প্রবণতা দেখা গেছে ক্রেতাদের মধ্যে। ওই ব্যবসায়ী জানান যদিও পণ্যের কোন ঘাটতি নাই। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ ফায়দা লুটছে। চাহিদা দেখে বাড়িয়ে দিচ্ছে পণ্যের দাম। গতকাল মঙ্গলবার অসি’রতা দেখা গেছে ডিমের বাজারে। গত কয়েকদিন থেকে ফার্মের সাদা ডিমের পাইকারি দাম ছিল শতকরা ৫ শ টাকা। গতকাল সকালের দিকেও ছিল একই দাম। বিকালে তা বিক্রি হতে দেখা গেছে ৫ শ ৯০ টাকা থেকে ৬ শ টাকা দরে।
কারণ জিজ্ঞাসা করলে আড়তদার জানান হঠাৎ করে ডিমের অতিরিক্ত চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা ডিমের দাম বাড়িয়ে দেয়ায় আমরাও ডিমের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি। তিনি বলেন ডিমের বর্তমান যে বাজার দর তাতে করে খামারিরা পড়েছে লোকসানের মুখে।

শর্টলিংকঃ