বেড়েছে পরিচ্ছন্ন সচেতনতা

তৈয়বুর রহমান: করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে মানুষের মাঝে বেড়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সচেতনতা। জেলা প্রশাসন, রাসিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সংগঠন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা প্রচারণা চালিয়ে আসছে রেশ কয়েক দিন ধরে। দিনে দিনে তা এখন মানুষের অভ্যাসে পরিণত হতে চলেছে। বাড়িতে স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার, সাবানের ব্যবহার এখন অনেক বেড়ে গেছে।
ইতোমধ্যে বাড়ির আঙিনা, বাড়ির আশপাশ ঝাড় ঝাটাসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ জোরেসোরে চলছে। কাপড়-চোপড় বাড়ির আসবাবপত্র পরিষ্কার রাখার চিন্তা এখন সবারই মাঝে। ভয়ে হোক আর চেতনা থেকে হোক সবারই মাঝে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার মনোভাব জেগে উঠেছে।
বাড়িতে গেলে, অফিস আদালতে গেলে, খেতে, বসতে, শুতে সাবান ও হ্যান্ডওয়াস দিয়ে হাত-মুখ ধোয়া এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে বিছানায় যাওয়া এখন সকলের কাছে বেদবাক্যে পরিণত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির গৃহিণীরাও পিছিয়ে নেই। তারা বাড়ি-ঘর পরিছন্নতায় মনোযোগী হয়েছেন।
করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে একে অপরের দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন। জেলা প্রশাসনের দোকান-পাট বন্ধের নির্দেশনা অনুযায়ী নগরীর সকল চায়ের দোকান এখন বন্ধ। এর ফলে চা-এর দোকানে বসে আড্ডা দেয়ার যে বদাভ্যাস সেটাও এখন বদলে গেছে।
পরিষ্কার অভিযানের অংশ হিসেবে মাস্ক পরিধান বাধ্যগত হলেও এখন সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক পরাটা নিয়মে পরিণত হয়েছে। এর জন্য কাউকে বাধ্য করার প্রয়োজন পড়ছে না। একে কেন্দ্র করে মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে তা পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এদিকে হাটবাজারে দোকান-পাটের ভিতর বাহির, আশপাশ ও রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করছেন। বায়ূ দূষণের হাত থেকে রক্ষার জন্য মাস্ক পরে মানুষ রাস্তায় চলাচল করছে। এ যেন নিজেকে বিশুদ্ধ রাখার অভিযান।
করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে সমাজে যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন চেতনার সৃষ্টি হয়ে তা দেখে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক লিয়াকত কাদির কুমকুম বলেন, এটা যদি মানুষের মাঝে স্থায়ী হয় এটাও হয়তো এক দিন জাতির জন্য আশির্বাদ বয়ে আনবে।

শর্টলিংকঃ